যে ৭ বিষয় গোপন রাখা উচিত
মোহাম্মদ আসিফ : রাইজিংবিডি ডট কম
প্রকাশ: ২০১৮-০৯-২০ ১০:২৮:২৬ পিএম || আপডেট: ২০১৮-০৯-২০ ১০:২৯:৫২ পিএম
![]() |
মোহাম্মদ আসিফ : আপনি যদি আপনার সব গোপন কথা প্রকাশ করেন তাহলে আপনার জীবন আরো জটিল হয়ে উঠবে। কিছু বিষয় অবশ্যই গোপন রাখা উচিত।
পারিবারিক বিষয় কিংবা ব্যক্তিগত, কিংবা আপনার ডায়েট এর পরিকল্পনা, এসব ব্যাপারের সিদ্ধান্ত সকলের কাছে প্রকাশ না করাই ভালো। কারণ দুনিয়ার সব মানুষ আপনাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য জন্ম নেয়নি। উৎসাহ দেওয়ার পরিবর্তে আপনার ক্ষতি করার লোকের অভাব হবে না। ব্যক্তিগত তথ্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ব্যাপারে অনেকে ওৎ পেতে থাকে।
এ প্রতিবেদনে উল্লেখিত ৭ বিষয় অন্যের কাছে গোপন রাখাটা মঙ্গলজনক হতে পারে।
* ভবিষ্যত পরিকল্পনা : আপনার উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভবিষ্যত পরিকল্পনা বন্ধুদের জানাতে চান। বন্ধুদের পাশে পাওয়া যাবে, তারা সহযোগিতা করবে এই প্রত্যাশায়। কিন্তু সবসময়ই যে তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাবেন এমন ভাবনা মন থেকে মুছে ফেলাটাই ভালো। কেউ কেউ আপনাকে আপনার লক্ষ্য থেকে পিছনে টেনে আনতে চাইবে, কেউ নেতিবাচক কথা বলবে। কেউবা বলেই বসবে আরে তোমাকে দিয়ে এ কাজ হবে না। এ অনেক কঠিন কাজ। শেষমেষ সামনে এগিয়ে যাওয়ার যে সাহস আর আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছিলেন সেটাও হারাবেন।
* বন্ধুদের গোপন তথ্য : আপনার কোনো বন্ধু বিশ্বাস করে যে গোপন কথা আপনাকে বলেছে সেটাকে কানের কুঠুরিতে বন্ধ করে রাখাটাই মঙ্গলজনক। বন্ধুর গোপন কোনো কথা অন্যদের জানাবেন না বা আলোচনা করবেন না। এতে বন্ধুত্বের সম্পর্কে চিড় ধরতে এক পলক সময় ও লাগবে না। সেই সঙ্গে বন্ধুর কাছে বিশ্বাসযোগ্যতার জায়গাটাও হারাবেন। এছাড়া কারো সম্পর্কে কোনো কথা শোনার পর তার সত্যতা যাচাই না করে সেই কথা নিয়ে আলোচনা করবেন না, বা সবাইকে বলে বেড়াবেন না যে, সে এমন কাজ করেছে।
* পারিবারিক সমস্যা : পরিবারের গুরুত্ব সবার উর্ধ্বে। সঙ্গিনীর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে? কিংবা পরিবারের কারো ডিভোর্স হয়েছে? এমন সব কথা পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধা থাকাটা ভালো। পারিবারিক সমস্যা নিয়ে অন্যের সঙ্গে কথা বললে পারতপক্ষে সাময়িক সময়ের জন্য সমবেদনা বা সহানুভূতি মিললেও আপনি সেই ব্যক্তির কাছে দুর্বল হয়ে গেলেন। পারিবারিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা মূলত এর মাত্রাকে আরো বাড়িয়ে দেয়। আপনার সঙ্গীর সবকিছু আপনার ভালো নাই লাগতে পারে। বা আপনি তার কোনো কাজে বিরক্ত। সেটা নিজেদের মধ্যেই রাখুন। বাইরের মানুষের সামনে সে বিষয়কে প্রকাশ করলে আপনার সঙ্গীকে হেনস্তার শিকার হতে হবে।
* ব্যক্তিগত সম্পর্ক : প্রেমিক বা প্রেমিকার কথা বন্ধু সহকর্মীর কাছে প্রকাশ করে বেশ গর্ববোধ করা যায়। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত জীবন বিস্তারিত আলোচনা বাজে অভ্যাস। এই অভ্যাসের দরুন প্রিয় মানুষটির সঙ্গে সম্পর্ক ধ্বংস হতে পারে।
* দানশীলতা : অসহায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট আপনাকে কাদায়। আপনি সাধ্যমত তাদের সাহায্যে কাজ করে যান, তাদের মুখে হাসি ফুটাতে চান। কিন্তু আপনার এই মানবপ্রেমমূলক কাজের কথা সবাইকে বলে বেড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত। কেননা এটা তাদের দায়িত্ব জ্ঞানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাছাড়া মানুষ ভাববে আপনি লোক দেখানোর জন্য এই কাজ করছেন। তাই নিজের জনসেবামূলক কাজকে বেশিমাত্রায় প্রকাশ না করাটাই ভালো।
* আর্থিক অবস্থা : আপনার অর্থনৈতিক অবস্থা, আপনার টাকা-পয়সার পরিমাণ কিংবা ব্যাংকে আপনার জমাকৃত সম্পদের পরিমাণ অন্যের কাছে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন। অর্থনৈতিক সমতার ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে সম্পর্কের সৃষ্টি হয় না। আপনি যদি আপনার বন্ধুদের মধ্যে আপনার অর্থ উপার্জন নিয়ে আলোচনা শুরু করে দেন তাহলে সেটা শেষ পর্যন্ত কে কত বেশি টাকা ইনকাম করতে পারে এমন প্রতিযোগিতায় নেমে যাবে। আর এর ফলাফল হিসেবে বন্ধুরা আপনার অর্থ উপার্জন এর জন্য হিংসা করবে। ফলে বন্ধুত্বের সম্পর্কটাও হারাবে। এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন না হতে চাইলে আপনার অর্থ উপার্জন ও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা থেকে বিরত থাকুন। মঙ্গল সর্বজনে।
* জীবনযাপন : ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিচিতজনরা আপনার স্বাস্থ্যকর ডায়েটের পথে বাধা হয়ে দাড়াতে পারে। আপনার নতুন ডায়েট অথবা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বেশিদিন স্থায়ী হবে যদি তা গোপন রাখেন। আপনার ইতিবাচক জীবনযাপন নিয়ে বেশি আলোচনা করলে সেটা এমন সব লোকের মনযোগের কারণ হবে যারা আপনার সুস্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত নয়। আর তাদের কারণে হয়তো আপনার সুস্থ থাকার রাস্তাটাও বদলে যেতে পারে।
আরো একটি ব্যক্তিগত বিষয় যেটি নিয়ে অন্যের সঙ্গে আলোচনা থেকে বিরত থাকা জরুরি, সেটি হল ধর্মীয় বিশ্বাস। এটি খুবই স্পর্শকাতর একটি বিষয়। কেননা মতনৈক্য কারণে অশান্ত ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
তথ্যসূত্র : লিফটার
পড়ুন : সঙ্গীর কাছে গোপন রাখবেন যে বিষয়গুলো
পারিবারিক বিষয় কিংবা ব্যক্তিগত, কিংবা আপনার ডায়েট এর পরিকল্পনা, এসব ব্যাপারের সিদ্ধান্ত সকলের কাছে প্রকাশ না করাই ভালো। কারণ দুনিয়ার সব মানুষ আপনাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য জন্ম নেয়নি। উৎসাহ দেওয়ার পরিবর্তে আপনার ক্ষতি করার লোকের অভাব হবে না। ব্যক্তিগত তথ্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ব্যাপারে অনেকে ওৎ পেতে থাকে।
এ প্রতিবেদনে উল্লেখিত ৭ বিষয় অন্যের কাছে গোপন রাখাটা মঙ্গলজনক হতে পারে।
* ভবিষ্যত পরিকল্পনা : আপনার উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভবিষ্যত পরিকল্পনা বন্ধুদের জানাতে চান। বন্ধুদের পাশে পাওয়া যাবে, তারা সহযোগিতা করবে এই প্রত্যাশায়। কিন্তু সবসময়ই যে তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাবেন এমন ভাবনা মন থেকে মুছে ফেলাটাই ভালো। কেউ কেউ আপনাকে আপনার লক্ষ্য থেকে পিছনে টেনে আনতে চাইবে, কেউ নেতিবাচক কথা বলবে। কেউবা বলেই বসবে আরে তোমাকে দিয়ে এ কাজ হবে না। এ অনেক কঠিন কাজ। শেষমেষ সামনে এগিয়ে যাওয়ার যে সাহস আর আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছিলেন সেটাও হারাবেন।
* বন্ধুদের গোপন তথ্য : আপনার কোনো বন্ধু বিশ্বাস করে যে গোপন কথা আপনাকে বলেছে সেটাকে কানের কুঠুরিতে বন্ধ করে রাখাটাই মঙ্গলজনক। বন্ধুর গোপন কোনো কথা অন্যদের জানাবেন না বা আলোচনা করবেন না। এতে বন্ধুত্বের সম্পর্কে চিড় ধরতে এক পলক সময় ও লাগবে না। সেই সঙ্গে বন্ধুর কাছে বিশ্বাসযোগ্যতার জায়গাটাও হারাবেন। এছাড়া কারো সম্পর্কে কোনো কথা শোনার পর তার সত্যতা যাচাই না করে সেই কথা নিয়ে আলোচনা করবেন না, বা সবাইকে বলে বেড়াবেন না যে, সে এমন কাজ করেছে।
* পারিবারিক সমস্যা : পরিবারের গুরুত্ব সবার উর্ধ্বে। সঙ্গিনীর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে? কিংবা পরিবারের কারো ডিভোর্স হয়েছে? এমন সব কথা পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধা থাকাটা ভালো। পারিবারিক সমস্যা নিয়ে অন্যের সঙ্গে কথা বললে পারতপক্ষে সাময়িক সময়ের জন্য সমবেদনা বা সহানুভূতি মিললেও আপনি সেই ব্যক্তির কাছে দুর্বল হয়ে গেলেন। পারিবারিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা মূলত এর মাত্রাকে আরো বাড়িয়ে দেয়। আপনার সঙ্গীর সবকিছু আপনার ভালো নাই লাগতে পারে। বা আপনি তার কোনো কাজে বিরক্ত। সেটা নিজেদের মধ্যেই রাখুন। বাইরের মানুষের সামনে সে বিষয়কে প্রকাশ করলে আপনার সঙ্গীকে হেনস্তার শিকার হতে হবে।
* ব্যক্তিগত সম্পর্ক : প্রেমিক বা প্রেমিকার কথা বন্ধু সহকর্মীর কাছে প্রকাশ করে বেশ গর্ববোধ করা যায়। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত জীবন বিস্তারিত আলোচনা বাজে অভ্যাস। এই অভ্যাসের দরুন প্রিয় মানুষটির সঙ্গে সম্পর্ক ধ্বংস হতে পারে।
* দানশীলতা : অসহায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট আপনাকে কাদায়। আপনি সাধ্যমত তাদের সাহায্যে কাজ করে যান, তাদের মুখে হাসি ফুটাতে চান। কিন্তু আপনার এই মানবপ্রেমমূলক কাজের কথা সবাইকে বলে বেড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত। কেননা এটা তাদের দায়িত্ব জ্ঞানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাছাড়া মানুষ ভাববে আপনি লোক দেখানোর জন্য এই কাজ করছেন। তাই নিজের জনসেবামূলক কাজকে বেশিমাত্রায় প্রকাশ না করাটাই ভালো।
* আর্থিক অবস্থা : আপনার অর্থনৈতিক অবস্থা, আপনার টাকা-পয়সার পরিমাণ কিংবা ব্যাংকে আপনার জমাকৃত সম্পদের পরিমাণ অন্যের কাছে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন। অর্থনৈতিক সমতার ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে সম্পর্কের সৃষ্টি হয় না। আপনি যদি আপনার বন্ধুদের মধ্যে আপনার অর্থ উপার্জন নিয়ে আলোচনা শুরু করে দেন তাহলে সেটা শেষ পর্যন্ত কে কত বেশি টাকা ইনকাম করতে পারে এমন প্রতিযোগিতায় নেমে যাবে। আর এর ফলাফল হিসেবে বন্ধুরা আপনার অর্থ উপার্জন এর জন্য হিংসা করবে। ফলে বন্ধুত্বের সম্পর্কটাও হারাবে। এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন না হতে চাইলে আপনার অর্থ উপার্জন ও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা থেকে বিরত থাকুন। মঙ্গল সর্বজনে।
* জীবনযাপন : ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিচিতজনরা আপনার স্বাস্থ্যকর ডায়েটের পথে বাধা হয়ে দাড়াতে পারে। আপনার নতুন ডায়েট অথবা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বেশিদিন স্থায়ী হবে যদি তা গোপন রাখেন। আপনার ইতিবাচক জীবনযাপন নিয়ে বেশি আলোচনা করলে সেটা এমন সব লোকের মনযোগের কারণ হবে যারা আপনার সুস্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত নয়। আর তাদের কারণে হয়তো আপনার সুস্থ থাকার রাস্তাটাও বদলে যেতে পারে।
আরো একটি ব্যক্তিগত বিষয় যেটি নিয়ে অন্যের সঙ্গে আলোচনা থেকে বিরত থাকা জরুরি, সেটি হল ধর্মীয় বিশ্বাস। এটি খুবই স্পর্শকাতর একটি বিষয়। কেননা মতনৈক্য কারণে অশান্ত ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
তথ্যসূত্র : লিফটার
পড়ুন : সঙ্গীর কাছে গোপন রাখবেন যে বিষয়গুলো
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮/ফিরোজ
সঙ্গীর কাছে গোপন রাখবেন যে বিষয়গুলো
![]() |
আফরিনা ফেরদৌস : একটি সুন্দর এবং রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই পক্ষকেই সৎ হওয়া বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যখন ব্যাপার হয় কোনো কিছু শেয়ার করা বা বলার তখন সত্যিটা বলা খুব দরকার।
তবে আপনাকে যে আপনার সঙ্গীকে সব কিছু বলতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কিছু কিছু কথা থাকে যার গোপনীয়তা শুধুমাত্র নিজের কাছে সুরক্ষিত।
যে সত্যিগুলো আপনাকে আপনার সঙ্গীর সামনে অস্বস্তিতে ফেলতে পারে, এমন কথা আপনি চাইলে এড়িয়ে যেতে পারেন। অথবা এমন কিছু কথা যা আপনার সঙ্গীকে মানসিক ভাবে আঘাত করতে পারে, সেগুলোও আপনি চাইলে না ও বলতে পারেন। এতে বরং সম্পর্ক আরো সুন্দর থাকবে।
একটি সুন্দর সম্পর্কের ভিত্তি হল দুই জনের মধ্যে সমঝোতা এবং বিশ্বাস। একজন আরেকজনের চিন্তা ভাবনা, চাওয়া পাওয়া এবং কথাগুলোকে শোনা এবং ধৈর্য, যত্ন এবং সচেতনতার সঙ্গে সেগুলোকে মূল্যায়ন করা। আর এই ক্ষেত্রে খুবই সামান্য কিছু বিষয় আছে যেগুলো আপনার সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করার প্রয়োজন নেই। আসুন জেনে নিই সেই গোপনীয়তাগুলো সম্পর্কে এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত।
আপনার সংখ্যা
তবে আপনাকে যে আপনার সঙ্গীকে সব কিছু বলতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কিছু কিছু কথা থাকে যার গোপনীয়তা শুধুমাত্র নিজের কাছে সুরক্ষিত।
যে সত্যিগুলো আপনাকে আপনার সঙ্গীর সামনে অস্বস্তিতে ফেলতে পারে, এমন কথা আপনি চাইলে এড়িয়ে যেতে পারেন। অথবা এমন কিছু কথা যা আপনার সঙ্গীকে মানসিক ভাবে আঘাত করতে পারে, সেগুলোও আপনি চাইলে না ও বলতে পারেন। এতে বরং সম্পর্ক আরো সুন্দর থাকবে।
একটি সুন্দর সম্পর্কের ভিত্তি হল দুই জনের মধ্যে সমঝোতা এবং বিশ্বাস। একজন আরেকজনের চিন্তা ভাবনা, চাওয়া পাওয়া এবং কথাগুলোকে শোনা এবং ধৈর্য, যত্ন এবং সচেতনতার সঙ্গে সেগুলোকে মূল্যায়ন করা। আর এই ক্ষেত্রে খুবই সামান্য কিছু বিষয় আছে যেগুলো আপনার সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করার প্রয়োজন নেই। আসুন জেনে নিই সেই গোপনীয়তাগুলো সম্পর্কে এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত।
আপনার সংখ্যা
নিজের যৌন কীর্তিকলাপ সম্পর্কে অনেক বেশি শেয়ার করলে তা আপনার সঙ্গীর মতে সন্দেহ এবং হতাশা তৈরি করতে পারে- এমনটাই জানান টনি কোলম্যান, সাইকোথেরাপিস্ট, রিলেশনশিপ কোচ এবং ডিভোর্স মেডিয়েটর। তিনি আরো বলেন, একজন প্রকৃত সঙ্গীর কাছে এটি আসলেই কোনো ব্যাপার নয় যে আপনি আপনার অতীতে কার সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু আপনি যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আপনার অতীত নিয়ে অনেক বেশি সন্দেহ করছেন তাহলে সেটা নিয়ে অবশ্যই কথা বলা দরকার দুজনের।
সঙ্গীর অপারগতা প্রকাশ করা
সঙ্গীর অপারগতা প্রকাশ করা
রিলেশনশিপ এক্সপার্ট স্টেফ সাফরান বলেন, আপনার সঙ্গী হয়তো বিছানায় অন্যদের তুলনায় কম রোমান্টিক, তাই বলে তা প্রকাশ করা ঠিক নয়। আপনি আপনার বর্তমান সঙ্গীর থেকেও রোমান্টিক কারো সঙ্গে ছিলেন পূর্বে সেটা নিয়ে বর্তমানে কথা না বলাই ভালো। এবং আপনি সেটা নিয়ে কথা বলতে বাধ্য না। আর আপনার সঙ্গীর ভেতরে যেটার কমতি আছে সেটার তুলনা না করে বরং উপায় খুঁজে বের করুন কিভাবে এই সম্পর্ককে আরো সুন্দর করে তোলা যায়।
অতীতের অস্বস্তিকর ব্যাপার
অতীতের অস্বস্তিকর ব্যাপার
সাফরান বলেন, সম্পর্কে অতীত ঘটনা শেয়ারিং এর ব্যাপারে সবাই সব সময় সমান হতে পারে না। কষ্ট পাওয়া বা খারাপ লাগার ঘটনাগুলো কেউই সহজে বলতে চায় না। তবে আপনার অতীত সম্পর্কে যে কথা আপনি আপনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে বলতে পারেন না, তা আপনার সঙ্গীকে বলার কোনো প্রয়োজন নেই। সম্পর্ক একটি বিশ্বাস এবং সমঝোতার জায়গা। যার সম্পর্কে আপনি নিজেই ধীরে ধীরে জানছেন তাকে সব কিছু হুট করে বলা ঠিক নয়। আর সেটা যদি হয় আপনার অতীতের কোনো অস্বস্তিকর ঘটনা তাহলে তা আপনার সঙ্গীকে বলা থেকে বিরত থাকুন।
অপমানজনক কথা
অপমানজনক কথা
সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ যালমান ব্রেগমান বলেন, যদি আপনি আপনার সঙ্গীর মধ্যে এমন কোনো নেতিবাচক আচরণ দেখে থাকেন যা তার পক্ষে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তা অবশ্যই তাকে বলবেন না। বরং সেটা আপনি আপনার নিজের মধ্যে রেখে দিন। জোরে খাবার চিবানো বা নাক ডাকার মতো বিষয় নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে বাকচিত করাটা অপমানজনক। যদি বিষয়গুলো খুব বড় ধরনের না হয় যা আপনার সম্পর্ককে প্রভাবিত করে তাহলে সেটা নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়।
মুঠোফোনের বার্তা
মুঠোফোনের বার্তা
যালমান বলেন, যদি আপনার সঙ্গী আপনার সব কিছুতে একটু বেশি নাক গলায় যেমন আপনার মুঠোফোনের বার্তা- আপনি কাকে বার্তা পাঠাচ্ছেন বা কে আপনাকে পাঠাচ্ছে এবং কথা সত্যতা যাচাই করার জন্য ফোন দেখা ও জেরা করে, তাহলে বুঝবেন যে আপনার সম্পর্কে বিশ্বাসের কমতি আছে। যদি আপনার সঙ্গী আপনাকে তার সব ধরনের বার্তা দেখাতে চায় এবং পরিবর্তে আপনার মুঠোফোনের বার্তা দেখতে চায় তাহলে তা মোটেও ভালো লক্ষণ নয় বরং এখনি এই বিষয়গুলো নিয়ে খোলাখুলি কথা বলুন।
সব সম্পর্ক তার প্রকৃতি অনুযায়ী ভিন্ন। আপনি যেখানে যার সঙ্গে স্বস্তি অনুভব করবেন তার সঙ্গেই থাকবেন সারাজীবন। যদিও ওপরের বিষয়গুলো সম্পর্কে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে না যদি না আপনার সঙ্গী সন্দেহপ্রবণ হন। আর প্রকৃত সঙ্গীরা এই ধরনের ব্যাপারগুলো নিয়ে মাথা ঘামান না।
তথ্যসূত্র : বাস্টল
রাইজিংবিডি/ঢাকা/৯ জানুয়ারি ২০১৮/ফিরোজ
সব সম্পর্ক তার প্রকৃতি অনুযায়ী ভিন্ন। আপনি যেখানে যার সঙ্গে স্বস্তি অনুভব করবেন তার সঙ্গেই থাকবেন সারাজীবন। যদিও ওপরের বিষয়গুলো সম্পর্কে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে না যদি না আপনার সঙ্গী সন্দেহপ্রবণ হন। আর প্রকৃত সঙ্গীরা এই ধরনের ব্যাপারগুলো নিয়ে মাথা ঘামান না।
তথ্যসূত্র : বাস্টল
রাইজিংবিডি/ঢাকা/৯ জানুয়ারি ২০১৮/ফিরোজ


No comments:
Post a Comment