Friday, August 31, 2018

Tourist spot near Dhaka info

ঢাকা এবং এর পাশে বেড়ানোর জায়গা

ইকরামুল হাসান শাকিল : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৮-০৮-২৩ ৪:৩৪:৪৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৮-২৩ ৭:০৪:১২ পিএম
ইকরামুল হাসান শাকিল : ঈদের ছুটিতে কর্মব্যস্ত নগরী ঢাকা অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেছে। প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে শহুরের কোলাহল ছেড়ে ঢাকা ছেড়েছেন অনেকেই। আবার অনেকেই রয়ে গেছেন। নিত্যনৈমিত্তিক জীবনে আমরা এতোটা ব্যস্ত হয়ে পরেছি যে, জীবনের ছোট ছোট আনন্দ উপলব্ধি করা আমাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পরেছে। মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে নিজের পরিবার এবং প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানোর। সবসময় সেই সুযোগ হয়ে ওঠে না। তাই ঈদের এই সময় অনেকেই সেই অপূর্ণতা পুষিয়ে নিতে চান। এসময় ঢাকা থাকে ফাঁকা। নেই জ্যাম, নেই কর্মব্যস্ততা। আমাদের দেশে বেড়ানোর জন্য রয়েছে অনেক সুন্দর জায়গা। কিন্তু অল্প সময় এবং নানান কারণে সবার পক্ষে ঢাকার বাইরে ঘুরতে যাওয়া সম্ভব হয় না। তাই ঢাকার ভেতরে অথবা ঢাকার পাশেই কোথাও ঘুরতে চান অনেকে।

উত্তরার দিয়াবাড়ী: রাজধানীর উত্তরার হাউজ বিল্ডিং থেকে পশ্চিমে দিয়াবাড়ীর অবস্থান। খোলা আকাশের নিচে বিশাল সবুজ কাশফুলের মাঠ। দিয়াবাড়ীর লেকের শীতল বাতাস ও সবুজের সমারোহে মুক্তি মিলবে শহুরে কোলাহল থেকে। সবুজ প্রান্তর। লেক পাড়। ফুরফুরে ঠান্ডা বাতাস। চারপাশে কাশবন। রাজধানীর ভেতরে এ যেন এক ভিন্ন জগৎ। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উত্তরা তৃতীয় পর্যায়ের সম্প্রসারিত প্রকল্পের অংশ এই দিয়াবাড়ী। বাঁশ ও কাঠের কাঠামো দিয়ে বানানো হয়েছে বসার জায়গা। সারি দিয়ে বাঁধা প্যাডেল বোট ঘণ্টা ভিত্তিতে ভাড়া নিয়ে ঘুরতে পারবেন।

লালবাগ কেল্লা: রাজধানীর ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত প্রাচীন দুর্গবেষ্টিত লালবাগ কেল্লা। মোঘল আমলে স্থাপিত এই দুর্গটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি পুরনো ঢাকার লালবাগে অবস্থিত, আর সে কারণেই এর নাম হয়েছে লালবাগ কেল্লা। এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল। সদর দরজা দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়বে পরী বিবির মাজার। এখানে আছে দরবার হল, নবাবের হাম্মামখানা, আছে শাহি মসজিদ। রয়েছে একটি জাদুঘর।

আহসান মঞ্জিল : পুরান ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে শীতল বাতাস গায়ে মেখে দাঁড়িয়ে আছে আহসান মঞ্জিল। এখানেও কাটাতে পারেন দারুণ কিছু সময়।

হাতিরঝিল: কংক্রিটের এই ব্যস্ত শহরে ক্লান্তিকর নাগরিক জীবনের যখন দম বন্ধকরা অবস্থা ঠিক এমনি সময় রাজধানীর হাতিরঝিল  হয়ে উঠেছে মনোরম এক বিনোদন কেন্দ্র। দিনে কিংবা রাতে যে কেউই ঘুরে আসতে পারেন হাতিরঝিলে। দিনে এর এক রূপ এবং রাতে পাবেন রঙিন বাতির আরেক রূপ। এখানে নৌকায় উঠেও কাটিয়ে দিতে পারেন আনন্দময় কিছু মুহূর্ত।

শিশুপার্ক : ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত শিশুপার্ক এই ঈদে শিশুদের জন্য রাখা হয়  বিশেষ আয়োজন।

ঢাকা চিড়িয়াখানা: শিশুদের প্রধান আকর্ষণের একটি ঢাকা চিড়িয়াখানা । বাঘ-সিংহের গর্জন, মায়াবী চিত্রা হরিণ, পেঁচিয়ে পড়ে থাকা সাপের আলসেমি, বানরের বাঁদরামি, রোদ পোহানো কুমির, ময়ূরের পেখম ছড়ানোর ফ্যাশন শোসহ আরও কত কী দেখার আছে।  এছাড়াও ঘুরে আসতে পারেন রায়ের বাজার বদ্ধভূমি, নভোথিয়েটার, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, সামরিক জাদুঘর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, হোসেনি দালান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, সদর ঘাটসহ আরো অনেক জায়গায়। আবার অনেকেই ঢাকার বাইরে কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসতে চান। তারা খুব সহজেই ঘুরে আসতে পারেন-

ফ্যান্টাসি কিংডম : বর্তমান সময়ের ঢাকাবাসীদের কাছে বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় অবস্থিত ফ্যান্টাসি কিংডম। এই থিম পার্কে ঈদের আয়োজনে থাকছে কনসার্ট, নাচ প্রতিযোগিতাসহ নানা আয়োজন। তা ছাড়া বাম্পার বোট, বাম্পার কার, ইজিডিজি, জুজু ট্রেন, রোলার কোস্টার, ম্যাজিক কার্পেট, প্যাডল বোট। আর ওয়াটার ওয়ার্ল্ড তো থাকছেই।

নন্দন পার্ক : সাভারের নবীনগরের নন্দন পার্কে নানা রকম রাইড আর ওয়াটার ওয়ার্ল্ডের পাশাপাশি আছে খুদে চিড়িয়াখানাও। এছাড়াও ঢাকার অদূরেই গাজীপুরে রয়েছে বেশ কিছু বিনোদন কেন্দ্র। তার মধ্যে অন্যতম বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান। যেখানে পাবেন শাল গজারীর অবারিত সবুজের শীতলতা। ঘুরে আসতে পারেন জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমদের নুহাশ পল্লী থেকে। ভাওয়াল রাজবাড়ি, মকশ বিল, পুবাইলের সবুজ গ্রাম থেকে।

গোলাপ গ্রাম: ঢাকার পাশেই ছোট্ট সুন্দর গোলাপ গ্রামেও ঘুরে আসতে পারে। গ্রামের যেদিকেই পা বাড়াবেন শুধু গোলাপের বাগানই চোখে পরবে। মনে হবে এ যেনো গোলাপের এক স্বর্গরাজ্য। 

পানাম সিটি: পৃথিবীর প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত ১০০ টি ঐতিহাসিক নগরীর একটি হলো এই পানাম সিটি। পানাম সিটির পুরনো বাড়িগুলো দেখতে দেখতে দিনটা কিভাবে কেটে যাবে টের পাবেন না।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি: সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামের এই জমিদার বাড়ি থেকেও ঘুরে আসতে পারেন। এছাড়াও  ঘুরে আসতে পারেন টাঙ্গাইলের মহেরা জমিদার বাড়ি, পদ্মা রিসোর্ট, মৈনট ঘাট, বেলাই বিল, আড়াইহাজার মেঘনার চর, কুমিল্লার শালবন বৌদ্ধ বিহারসহ আরো অনেক জায়গায়।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৩ আগস্ট ২০১৮/তারা

bandorban torism spot info

বান্দরবানে যত দর্শনীয় স্থান

কাজী আশরাফ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৮-০৮-২৪ ৪:৫২:৫৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৮-২৪ ৫:৩২:০৮ পিএম
কাজী আশরাফ: আমার প্রতিবারই মনে হয়, কক্সবাজার আসলে অলসদের বেড়ানোর জায়গা। এটি ব্যক্তিগত মত, সুতরাং গায়ে মাখবেন না। আপনি যদি বন, পাহাড়, নদী এবং পাহাড়ি মানুষের জীবনের বৈচিত্র উপভোগ করতে চান তাহলে বান্দরবান বেস্ট। বান্দরবান ভ্রমণ তখনই উপভোগ্য হবে যখন আপনি প্রস্তুতি নিয়ে সেখানে যাবেন। যেমন ধরুন বান্দরবান ভ্রমণে ভালো, মজবুত স্যান্ডেল বা কেডস নেবেন। মাটিতে ভালো গ্রিপ করে, পিছলে যায় না এমন কিছু নিতে হবে। কলার পটাশিয়াম পেশির জন্য উপকারী। পাহাড়ে উঠলে পেশির ওপর অনেক চাপ পরে। অতএব, বান্দরবান গেলে কলা খাবেন। পাহাড়ি মশা প্রতিরোধের জন্য অবশ্যই Ododmos লোশন নেবেন। হাঁটার সময় ফুটবলারদের মতো অ্যাংলেট, নি-ক্যাপ পরবেন। জোঁকের জন্য সঙ্গে সামান্য লবণ রাখবেন। জোঁক লাগলেই অযথা চেঁচামেচি না করে লবণ দিন। জোঁক মরে যাবে। এছাড়া অবশ্যই ক্যাপ পরে নেবেন। ছাতা, রেইনকোট তো নিতেই হবে।

ভ্রমণের প্রস্তুতি হলো, এবার সেখানে গিয়ে কী কী দেখবেন সে বিষয়ে আলোচনা করা যাক। কারণ বান্দরবান জেলা শহর। জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছে। সেগুলোর দূরত্বও কম নয়। তাছাড়া শহরে ভালো মানের হোটেলও খুব বেশি নেই। আগে থেকে হোটেল বুকিং দিয়ে না গেলে সমস্যা হতে পারে। বান্দরবান থাকার জন্য হোটেল বুকিং করতে পারেন জোভাগো ডটনেট (www.jovago.net) থেকে।

নীলগিরি বাংলাদেশের দার্জিলিং
এবার চলুন বান্দরবানের দর্শনীয় জায়গাগুলো কী জেনে নেই। এক্ষেত্রে প্রথমেই আসবে নীলগিরির নাম। জায়গাটিকে অনেকে ‘বাংলাদেশের দার্জিলিং’ বলেন। যেখানে পাহাড় আর মেঘের মিতালি চলে দিনরাত। আপনিও ঘুরে আসতে পারেন ওই মেঘের দেশে। তবে যারা মেঘ ভালোবাসেন তারা জুন-জুলাই অর্থাৎ বর্ষাকালে ভ্রমণে গেলে বেশি আনন্দ পাবেন। নীলগিরি যেতে হলে আগে থেকে জিপ ভাড়া করতে হবে। সময় লাগবে আসা-যাওয়ায় সাড়ে চার ঘণ্টা। ভাড়া সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্ধারিত আসা-যাওয়ার জন্য ছোট জীপ: ৫ সিট ২৩০০ টাকা এবং বড় জীপ: ৮ সিট ২৮০০ টাকা।

স্বর্ণমন্দির সোনার চেয়ে দামি
এরপর যেতে পারেন স্বর্ণমন্দির। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম এই ‘বৌদ্ধ ধাতু জাদী’ স্বর্ণমন্দির নামে পরিচিত। এটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উল্লেখযোগ্য একটি উপাসনালয়। যা বান্দরবান শহর থেকে ৪ কি.মি. উত্তরে বালাঘাট নামক এলাকায় পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত। এর নির্মাণশৈলী মিয়ানমার, চীন ও থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ মন্দিরের আদলে তৈরি।

মেঘলায় হবে মেঘের সঙ্গে মিতালি
বান্দরবানের আরেকটি স্পট মেঘলা। বান্দরবান জেলা শহরে প্রবেশের ৭ কি.মি. আগে মেঘলা পর্যটন এলাকা। এটি সুন্দর কিছু উঁচু-নিচু পাহাড়বেষ্টিত একটি লেক ঘিরে গড়ে উঠেছে। সবুজ গাছ আর লেকের স্বচ্ছ পানি পর্যটককে প্রকৃতির কাছাকাছি টেনে নেয় প্রতিনিয়ত। পানিতে যেমন রয়েছে প্যাডেল বোট, তেমনি ডাঙ্গায় রয়েছে মিনি চিড়িয়াখানা। রয়েছে রোপওয়ে কার। এখানে সবুজ প্রকৃতি, লেকের স্বচ্ছ পানি আর পাহাড়ের চূড়ায় উঠে দেখতে পাবেন বান্দরবানের নয়নাভিরাম দৃশ্য। মেঘলা পর্যটন স্পটের পাশেই রয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের বান্দরবান পর্যটন হোটেল।

চিম্বুক বান্দরবানের আকর্ষণ
চিম্বুক বান্দরবানের অনেক পুরোনো পর্যটন স্পট। বান্দরবান শহর হতে ২১ কি.মি. দক্ষিণ-পূর্বে মিলনছড়ি এবং শৈলপ্রপাত পেরিয়ে চিম্বুক যেতে হয়। এখানে পাহাড়ের চূড়ায় রেস্টুরেন্ট এবং একটি ওয়াচ টাওয়ার আছে। পাহাড়ের চূড়া থেকে চারদিকের সবুজ প্রকৃতির সৌন্দর্য এখানে প্রকৃতিপ্রেমীদের টেনে আনে।

শৈলপ্রপাত বা নীলাচলে নীল দর্শন 
শৈলপ্রপাত বান্দরবান শহর হতে ৭ কি.মি. দক্ষিণ-পূর্বে চিম্বুক বা নীলগিরি যাওয়ার পথে দেখা যাবে। নীলাচল বান্দরবান শহর হতে ১০ কি.মি. দক্ষিণে ১৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত একটি পর্বত শীর্ষ। যেখান থেকে নীল আকাশ যেন তার নীল আঁচল বিছিয়ে দিয়েছে ভূমির সবুজ জমিনে। যে দিকে দুচোখ যায় অবারিত সবুজ ও নীল আকাশের হাতছানি। মুগ্ধতায় ভরে উঠবে মন-প্রাণ।

মিলনছড়ি থেকে সাঙ্গু নদী
মিলনছড়ি বান্দরবান শহর হতে ৩ কি.মি. দক্ষিণ-পূর্বে শৈলপ্রপাত বা চিম্বুক যাওয়ার পথে পড়ে। এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি আছে। পাহাড়ের উঁচুতে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে পূর্ব প্রান্তে অবারিত সবুজের খেলা এবং সবুজ প্রকৃতির বুকে সর্পিল গতিতে বয়ে যাওয়া সাঙ্গু নদী এখান থেকে ভালোভাবে দেখা যাবে।





রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৪ আগস্ট ২০১৮/তারা

bath way info

গোসলের ভালো ও খারাপ সময়

: রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৬-০৮-০১ ৯:১০:০১ এএম     ||     আপডেট: ২০১৬-০৮-০৬ ১২:২১:৪৩ পিএম
আফরিনা ফেরদৌস : প্রতিদিন আমরা কত ধুলাবালি পার করি। সেজন্য নিজের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার একটা ব্যাপার থেকে যায়। এই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিশেষভাবে সম্পাদন হয় গোসলের মাধ্যমে। 

নিয়মিত গোসল শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্যতা ধরে রাখার জন্যও প্রতিদিন গোসল করা দরকার। মানুষসহ বিশ্বের অনেক প্রাণীই গোসলের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

গোসল তো প্রতিদিনই করছেন কিন্তু জানেন কী গোসলের সঠিক সময় কোনটি? কখন গোসল করা শরীরের জন্য ভালো আর কখন খারাপ। সময়ের ভিত্তিতে গোসলের বেশ কিছু ভালো দিক রয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক।

সকালে গোসলের সুফল

সতেজতা অনুভব: আমরা সাধারণত সকালের গোসলটাকে বেশি প্রাধান্য দেই। ঘুম থেকে উঠে গোসল করলে ঘুম ঘুম ভাব চলে যায়। শরীর ও মনে সতেজতা অনুভব হয়। সারাদিনের কাজের জন্য একটি উদ্যম তৈরি হয়।

রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়: সকালের গোসল শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। অর্থাৎ সকালের গোসলের মাধ্যমে শরীরে রক্ত চলাচলের গতি বাড়ে এবং তাতে কাজ করার শক্তি উৎপন্ন হয়।

মাংসপেশির জড়তা কমায়: হালকা গরম পানি দিয়ে সকালে গোসল করলে মাংসপেশির জড়তা কমে যায়। রাতে অনেকক্ষণ ঘুমানোর পর সকালে উঠে কোনো কিছু করতে গেলে অনেক সময় মাংসপেশির ভেতরে ব্যথা অনুভব হয়। সকালের গোসল দিতে পারে এই মাংসপেশির ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে। তবে কোনো দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার ক্ষেত্রে গোসলের কোনো ভূমিকা নেই।

তৈলাক্ত ত্বকের সমাধান: যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের জন্য সকালটা খুব একটা ভালো হয় না কারণ সকালে মুখে তেল তেলে ভাব সব থেকে বেশি থাকে। তাই সকালের গোসল আপনার মুখের তৈলাক্ত ভাব কমাতে সাহায্য করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য নির্দিষ্ট সাবান বা ফেসওয়াস বা ফেসপ্যাক ব্যবহার করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন।

সন্ধ্যায় গোসলের সুফল

উচ্চ রক্তচাপ কমানো: সন্ধ্যা বেলার গোসল আপনার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। সারাদিনের ক্লান্তি ভরা কাজের পর সন্ধ্যার গোসল আবারো শরীরকে সতেজ করে তোলে। এতে মেজাজ খিটখিটে হওয়া থেকে রোধ হয়।

তাড়াতাড়ি ঘুম: সন্ধ্যার গোসল শরীরে এক ধরনের প্রশান্তি প্রদান করে যার ফলে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে। এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমের জন্যও সন্ধ্যার গোসল বেশ কার্যকর।

ধুলা ময়লা পরিষ্কার: সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে যখন আমরা বাড়ি ফিরি তখন আমাদের শরীর ধুলাবালি ময়লা পরিপূর্ণ থাকে। গোসল সেই সব কিছু থেকে আমাদের রক্ষা করে। এছাড়া বাইরে থেকে ফিরে গোসল করলে মুখে ব্রনের পরিমাণও কমে যায়, কারণ ব্রণ হয় ময়লা থেকে কিন্তু গোসলের মাধ্যমে শরীরের সব ময়লা বের হয়ে যায়।

যে সময়গুলোতে গোসল বর্জন করবেন

খাওয়ার পর 
খাওয়ার পর পরই অর্থাৎ ভরা পেটে গোসল করা ঠিক নয়। এতে খাবার হজমে সমস্যা দেখা দেয়।

বাইরে থেকে ফিরে 
বাইরে থেকে বাসায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে গোসল করা ঠিক নয়। কারণ আপনি তখন ক্লান্ত থাকেন। অতিরিক্ত ক্লান্ত অবস্থায় গোসল করলে শরীর আরো ক্লান্ত লাগে। কিছুক্ষণ বসে বিশ্রাম নিয়ে তারপর গোসল করুন।

রান্নার পর 
রান্না করতে গেলে আমরা ঘেমে নেয়ে একাকার হয়ে যায়। তাই রান্না করার পর পরই গোসল করা ঠিক নয়। অর্থাৎ ঘামানো অবস্থায় গোসল করা ঠিক নয়। এতে শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্য বজায় থাকে না।

ব্যায়ামের পর 
ব্যায়ামের পর শরীর ঘেমে যায়। আর সে কারণে ব্যায়ামের পর পরই গোসল করবেন না। এতে করে শরীর আরো দুর্বল লাগবে।
  

রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ আগস্ট ২০১৬/ফিরোজ

গোসল করার সঠিক নিয়ম

: রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৬-০৮-২৮ ৯:৩৯:২৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৬-০৯-০৩ ১২:৩২:১৯ পিএম
লাইফস্টাইল ডেস্ক : শরীর ও মনে প্রশান্তি এনে দেয় গোসল। কিন্তু অনেকেই গোসল করেন দায়সারাভাবে। পরিষ্কার হওয়া নিয়ে মাথাঘামান না। অথচ গোসল করার ক্ষেত্রে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হতে হবে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জেনে নিন কিছু জরুরি বিষয়।

* গোসলের ক্ষেত্রে হালকা গরম পানি নিন। ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করে আরাম আছে, কিন্তু ঠান্ডা পানি ত্বকের ক্ষতি করে। ত্বক রুক্ষ করে তোলে। ফলে হালকা গরম পানি ভালো। এতে ত্বকেরও ক্ষতি হবে না আবার ক্লান্তিও দূর হবে। যাদের ঘুমের সমস্যা, তাদের সকলেরই হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করা ভালো। কিন্তু মাথা ধোয়ার সময় কিন্তু গরম পানি ব্যবহার করবেন না। ঠান্ডা পানিই ব্যবহার করুন। গরম পানি চুল রুক্ষ করে তোলে।

* ত্বক অনুযায়ী সাবান ব্যবহার করুন। রুক্ষ ত্বকের জন্য গ্লিসারিনভিত্তিক সাবান আর তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মিল্ক সোপ। যাদের সাধারণ ত্বক, তারা যে কোনো সাবানই বেছে নিতে পারেন।

* শরীর থেকে ময়লা দূর করতে স্ক্রাবিং খুব জরুরি। বিশেষ করে তৈলাক্ত ত্বক যাদের, সাবান মাখার সময় স্ক্রাবিং করে নিন লুফার সাহায্যে। এতে ময়লা দূর হয়। রোমকূপ থেকে অতিরিক্তি তেল বেরিয়ে আসে। তৈলাক্ত ত্বক পরিষ্কার করতে স্ক্রাবার কাম বডি ওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন।

* স্ক্রাবিং করে সাবান মাখা হয়ে গেলে ভালো করে শরীর ধুয়ে নিন। এখানেই শেষ নয়। ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখতে তেল মাথা অত্যন্ত জরুরি। ৭০ শতাংশ মানুষ তেল মাখেন না। কিন্তু এটা খুব জরুরি। বিশেষ করে যাদের ত্বক রুক্ষ, তেল মাথা খুব জরুরি। বাজারে অনেক ধরনের বডি অয়েল কিনতে পাওয়া যায়। চন্দন দেওয়া বডি অয়েল বেছে নিন। মাখতে পারে অলিভ অয়েল। তা না হলে বাড়িতে রাখা সরষের তেলও মাখতে পারেন।

* গোসলের সময় পায়ের গোড়ালি পরিষ্কার করাও প্রয়োজন। পায়ের পাতা ও তলার জন্য স্ক্রাবিংয়ের ব্যবস্থা করুন। বাজারে পিউমিক স্টোন কিনতে পাওয়া যায়। তার সঙ্গে ব্রাশও পাওয়া যায়। গোসল শেষে হাতে সামান্য শ্যাম্পু নিয়ে পায়ের গোড়ালি ও তলায় ভালো করে মাখিয়ে নিন। তারপর প্রথমে পিউমিক স্টোন ও ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করুন। দেখবেন পা ফাঁটার সমস্যা দূর হয়েছে নিমেষে।

* শ্যাম্পু করার পরিকল্পনা থাকলে আগে শ্যাম্পু করা সেরে নিতে হবে। এসএলএস যুক্ত (সোডিয়াম লরাল সালফেট) শ্যাম্পু এড়িয়ে চলুন। এর সাহায্যে ক্ষণিকের জন্য চুল চকচকে হলেও চুলের ডগা ফাটিয়ে দেয়, স্বাভাবিক রঙও নষ্ট করে। চুলের ধরন বুঝে বেছে নিতে পারেন হারবাল শ্যাম্পু।

* অনেকে মনে করেন শ্যাম্পু করা মানেই অনেকটা শ্যাম্পু নিয়ে ফেনা তৈরি করে চুলে লাগানো, আর তারপর ধুয়ে ফেলা। এটা কিন্তু সঠিক পদ্ধতি নয়। আগের দিন রাতে তেল মেখে পরদিন শ্যাম্পু করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

* প্রথমে ঠান্ডা পানি চুলে ধুয়ে মাথার তেল বের করে নিতে হবে। তারপর হাতে সামান্য শ্যাম্পু নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করতে হবে। ফেনা হতে শুরু করলে পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। চুলকে জটমুক্ত রাখতে কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত। সামান্য কন্ডিশনার চুলে মাখিয়ে মিনিট দুই অপেক্ষা করুন। খেয়াল রাখবেন, চুলের গোড়ায় যাতে কন্ডিশনার না লেগে যায়। তারপর পানি দিয়ে পুরো চুল ধুয়ে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখুন।

* শরীর পরিষ্কারের তোয়ালে আর মাথা মোছার তোলায়ে আলাদা করাই ভালো।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৮ আগস্ট ২০১৬/ফিরোজ

গোসলে ৭ ভুল

শাহিদুল ইসলাম : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৮-০৮-২৯ ৯:৩০:৫২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৮-২৯ ৯:৩৬:৪৭ পিএম
প্রতীকী ছবি
শাহিদুল ইসলাম : একজন মানুষ তার গোটা জীবনে রুটিন মেনে যে কাজগুলো করে, গোসল তার মধ্যে অন্যতম। গোসল যেহেতু শারীরিক সুস্থতার জন্য, তাই গোসলে ভুল হওয়া মানে উল্টো অসুস্থতার দিকে এগিয়ে যাওয়া।

এ প্রতিবেদনে গোসলের ৭ অভ্যাস তুলে ধরা হলো। গবেষক এবং ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অভ্যাস অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

* শাওয়ার চালু করার সময় শাওয়ারের দিকে মুখ করে থাকা
শাওয়ার ছেড়ে সঙ্গে সঙ্গেই আমরা গোসল শুরু করে থাকি। কিন্তু তৎক্ষণাৎ গোসল শুরু করাটা মোটেও উচিত নয়। কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, শাওয়ারের হেডের ভেতরে (যেখান দিয়ে পানি পড়ে) প্রচুর পরিমাণে মাইক্রোএভিয়াম বা এম এভিয়াম ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। তাই শাওয়ার দিকে মুখ করে শাওয়ার চালু করা উচিত নয়। শাওয়ার চালু করার কিছু সময় পর গোসল শুরু করা উচিত। এতে করে এম এভিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্ত থাকা যাবে। এম এভিয়াম সুস্থ সবল মানুষের জন্য তেমন ক্ষতিকর না হলেও বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী এবং শারীরিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিদের জন্য দুর্বলতা, শুকনো কাশি, শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হওয়া সহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতার কারণ হতে পারে।

* প্লাস্টিকের শাওয়ার হেড ব্যবহার
কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, ধাতব শাওয়ার হেডের চেয়ে প্লাস্টিকের হেড বেশি জীবাণুপ্রবণ। প্লাস্টিকের শাওয়ার হেড ব্যবহার না করে ধাতব হেড ব্যবহার করা উচিত।

* গরম পানি দিয়ে গোসল করা
পিটসবার্গ মেডিকেল সেন্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, ত্বকে লাল দাগ হওয়া, চুলকানি এবং ত্বক ছিলে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে নিয়মিত গরম পানি দিয়ে গোসল করা। এছাড়া অধিক গরম পানি শরীরের আদ্রতা, চর্বি এবং আমিষের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। তবে সপ্তাহে দু একবার কুসুম গরম পানিতে গোসল করতে ত্বক বিশেষজ্ঞগণ পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

* অধিক সময় ধরে গোসল করা
কত সময় ধরে গোসল করার উচিত তার নির্দিষ্ট সীমা যদিও নেই। তবে পিটসবার্গ মেডিকেল সেন্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ দীর্ঘ সময় ধরে গোসল না করার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ এতে ত্বকের স্বাভাবিক আদ্রতা কমে গিয়ে ত্বক কুচকে যেতে পারে।

* প্রতিদিন গোসল করা
আপনি যদি প্রতিদিন গোসল করে থাকেন, তার মানে আপনি তা মাত্রাতিরিক্ত করছেন। জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডার্মাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সি. ব্র্যান্ডন মিচেল বলেন, ‘প্রতিদিন গোসলের ফলে ত্বকের প্রাকৃতিক আদ্রতার পরিমাণ কমে যায় এবং ত্বকে উপকারী ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি হতে পারে না।’ সপ্তাহের ৭ দিনই গোসল করতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই।

* শরীর পরিষ্কারের জন্য স্পঞ্জের ব্যবহার
গোসলের সময় আমরা শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার করার জন্য নানারকম স্পঞ্জ ব্যবহার করি। কিন্তু যে স্পঞ্জ দিয়ে আমরা শরীর পরিষ্কার করি সেটিই আমাদের জন্য ক্ষতিকর জীবাণুর কারণ হতে পারে। স্পঞ্জ সবসময় ভেজা পরিবেশ থাকায় তা ব্যাকটেরিয়ার উপযুক্ত আবাস। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞগণ স্পঞ্জ ব্যবহারের কিছু নিয়ম অবশ্য বাতলে দিয়েছেন-
১. প্রতিবার স্পঞ্জ ব্যবহারের পর তা শুকিয়ে ফেলতে হবে।
২. স্পঞ্জ মুখে এবং স্পর্শকাতর অঙ্গে ব্যবহার না করা। কারণ শরীরের এই অঙ্গগুলোতে সহজে জীবাণু আক্রান্ত হয়।
৩. প্রতি সপ্তাহে স্পঞ্জ একবার জীবাণুমুক্ত করার দ্রবণে ভিজিয়ে নিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। প্রাকৃতিক স্পঞ্জ (ধুন্দল শুকিয়ে যেটি তৈরি করা হয়) হলে তিন সপ্তাহ পর আর প্লাস্টিকের স্পঞ্জ হলে এক মাস পর পাল্টে নতুন স্পঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।

* প্রতিদিন চুল ধোয়া 
ত্বকের মতো চুলেও প্রাকৃতিক উপাদান বিদ্যমান। প্রতিদিন চুল ধোয়ার ফলে চুলে থাকা প্রাকৃতিক তেল কমে যাওয়ায় চুল রুক্ষ হয়ে পড়ে। প্রতিদিন চুল ধোয়া বিশেষ করে ক্ষতিকর হতে পারে- যদি আপনার চুল যদি শুষ্ক প্রকৃতির হয়ে থাকে কিংবা চুলে কালার ব্যবহার করে থাকেন। আপনার চুল যদি তৈলাক্ত প্রকৃতির হয়ে থাকে, তাহলে চুল থেকে অতিরিক্ত তেল শোষণে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

তথ্যসূত্র : ইনসাইডার

পড়ুন : * গোসলের ভালো ও খারাপ সময়

* গোসল করার সঠিক নিয়ম



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৯ আগস্ট ২০১৮/ফিরোজ

China - robot in kids school

কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রোবট শিক্ষক!

আহমেদ শরীফ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৮-০৮-৩০ ৭:৩৩:৫২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৮-৩১ ৮:৩২:৫২ এএম
আহমেদ শরীফ : দেখতে নাদুস নুদুস, মায়াবী চেহারার এক ধরনের রোবট এখন চীনের কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক হিসেবে কাজ করছে। শিশুদের গল্প বলা, বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করাই এই রোবটের কাজ। 

দেখতে কিউট এই রোবট মাত্র ৬০ সেন্টিমিটার লম্বা। ছোট্ট চাকার মাধ্যমে ঘুরে বেড়ায় সে, একটি বড় স্ক্রিন তার চেহারা হিসেবে কাজ করে। ‘কিকো’ নামের এই রোবট শিক্ষকের দাম ১,৫০০ ডলার, যা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষকদের মাসিক বেতন।

মায়াবী এই রোবটগুলো চীনের ৬০০ কিন্ডারগার্টেনে কাজ করছে এখন। খুব শিগগিরই চীনের অন্য সব কিন্ডারগার্টেনে এসব রোবট শিক্ষকতা শুরু করবে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার অন্য সব দেশেও এই রোবট পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা করছে চীন।

শিশুরা যখন কোনো প্রশ্ন সঠিকভাবে করতে পারে অথবা ওই রোবটের কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেয়, তখন রোবটের চোখে লাভ সাইন ফুটে উঠে। অনেক স্কুলের প্রধান শিক্ষক এই রোবট শিক্ষককে মানুষের চেয়ে কিছুটা দুর্বল মনে করলেও তাদেরকে মানুষের চেয়ে বেশি নির্ভরশীল বলেই রায় দিয়েছেন।

এই রোবটে থাকা ক্যামেরা তাদের সেন্সর হিসেবে যেমন কাজ করে, তেমনি ভিডিও জার্নালও রেকর্ড করতে পারে।

রোবট শিক্ষক অবশ্য এই প্রথমবারই দেখা যায়নি। এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০১০ সালে ইংরেজি শেখানোর জন্য স্কুলে রোবট শিক্ষক ব্যবহার করা হয়েছিল।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স গড়ে তুলতে ‘মেড ইন চায়না ২০২৫’ প্রকল্পের আওতায় প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করেছে চীন। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন রোবটসের এক জরিপে বলা হয়েছে, উৎপাদন কাজে রোবট ব্যবহারে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে চীন। দেশটিতে ম্যানুফ্যাকচারিং এবং অটোমোটিভ খাতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ ইউনিট রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া গতবছর চীনে সার্ভিস রোবটের বাজার ছিল ১.৩২ বিলিয়ন ডলারের।



তথ্যসূত্র : সি নেট http://www.risingbd.com/scienceand-technology-news/273725



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩০ আগস্ট ২০১৮/ফিরোজ