Saturday, March 31, 2018

Averest win recrds

এভারেস্টে সর্বাধিক আরোহণের রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন তিনি

সাইফুল আহমেদ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৪-০১ ১১:৫৮:৫০ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৪-০১ ১২:০৪:৩১ পিএম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অনেকের জন্যই মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণের জন্য রওয়ানা এক দুঃসাহসিক কাজ, যার ভবিষ্যৎ অজানা। তবে ৪৮ বছর বয়সি কামি রিটা শেরপার জন্য হয়তো এ কথা প্রযোজ্য নয়।

আজ রোববার এভারেস্টের চূড়ার উদ্দেশে ফের পা বাড়াচ্ছেন রিটা শেরপা। তবে মধ্যবয়সি এই পুরুষের জন্য এবারের আরোহণটা একটু ভিন্ন রোমাঞ্চের। এবার যে এভারেস্টে আরোহণের রেকর্ড একান্তই নিজের করে নিতে যাচ্ছেন তিনি।

এভারেস্টের চূড়ায় এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২১ বার সফলভাবে আরোহণ করেছেন তিনজন। রিটা শেরপার সঙ্গে এ রেকর্ড রয়েছে তার দুই স্বদেশির। তবে এবার সফল হলে সেই রেকর্ড একান্তই নিজের করে নেবেন রিটা। হয়ে যাবেন বিশ্বের এ যাবৎকালের সব থেকে সফল এভারেস্ট আরোহী। তার স্বদেশি দুজন ইতোমধ্যেই এভারেস্টে আরোহণ থেকে অবসর নিয়েছেন।

এ সম্পর্কে রিটা শেরপা বলেন, ‘পুরো শেরপা সম্প্রদায় ও আমার দেশকে গর্বিত করতেই আমি ফের এভারেস্টে আরোহণের চেষ্টা করছি।’

৮,৮৪৮ মিটার (২৯,০২৯ ফুট) উচ্চতার এভারেস্ট পৃথিবীর বৃহত্তম পর্বতশৃঙ্গ। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ এভারেস্ট আরোহণের চেষ্টা করে থাকেন। তারা সেক্ষেত্রে একা না গিয়ে অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন স্থানীয় গাইডের সাহায্য নেন, যাদের বেশির ভাগই তিব্বতীয় নৃগোষ্ঠী শেরপার অন্তর্গত। যেমনটি তেনজিং নোরগেকে নিয়ে প্রথম এভারেস্ট বিজয় করেছিলেন এডমন্ড হিলারি। রিটা শেরপা তেমনই একজন গাইড ‍যিনি এর আগে ২১ জন আরোহীকে এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছতে সহায়তা করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি কোম্পানির হয়ে কাজ করেন, যে প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য এভারেস্ট আরোহণের ব্যবস্থা করে।

রিটা শেরপা প্রথম এভারেস্টের চূড়ায় উঠেন ১৯৯৪ সালে এবং সবশেষ উঠেন গত মে মাসে। এবার রিটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২৯ জনের একটি আরোহী দলকে নেতৃত্ব দেবেন। এই ২৯ জনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের আরোহী রয়েছেন।

রিটা সদলে রোববার বেজ ক্যাম্পের জন্য রওয়ানা হবেন এবং সেখানে দুই সপ্তাহ অবস্থানের পর পুরোদমে আরোহণ শুরু করবেন।

দ্য কাঠমান্ডু পোস্টকে রিটা শেরপা বলেন, ‘সবকিছু পরিকল্পনামাফিক হলো আগামী ২৯ মে আমরা এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছতে পারব।’

তবে এবার সফল হলেই থেমে যেতে চান না রিটা শেরপা। কমপক্ষে ২৫ বার এভারেস্টের চূড়ায় উঠতে চান তিনি।

রিটা শেরপা বলেন, ‘আমি ইতিহাস সৃষ্টি করতে চাই।’

তথ্যসূত্র : বিবিসি



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ এপ্রিল ২০১৮/সাইফুল

Food eajoy seperate info

যেসব খাবার একসঙ্গে খাওয়া ক্ষতিকর

আহমেদ শরীফ : রাইজিংবিডি ডট কম

  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-৩১ ৮:০১:৫৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-৩১ ৮:০১:৫৩ পিএম
আহমেদ শরীফ : সবাই মনে করেন প্রচুর ফল ও সবজি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। বয়স্কদের মতো শিশুদের জন্যেও ফল ও সবজি খাওয়া খুব জরুরি। তবে মনে রাখতে হবে কিছু খাবারের সঙ্গে ফল বা সবজি খাওয়া উল্টো শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর হতে পারে।

বিভিন্ন ধরনের ফল বা সবজি এক সঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। বড়রা যেমন এক্ষেত্রে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যায় পড়তে পারেন, তেমনি শিশুরা পড়তে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। কিছু ফল বা সবজি অন্য খাবারের সঙ্গে খাওয়া একেবারেই খাওয়া উচিত না। তেমন কিছু খাবার এবার জেনে নিন।

কমলা ও গাজর : কমলার সঙ্গে গাজর মিশিয়ে খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ এই ফল ও সবজির কম্বিনেশন অ্যাসিডিটি যেমন তৈরি করে, তেমনি কিডনিকে নষ্ট করে দিতে পারে।

পেঁপে ও লেবু : এক সঙ্গে পেঁপে ও লেবু খাবেন না। এতে অ্যানিমিয়া তৈরি হওয়া ও  রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। বিশেষ করে এই ডেডলি কম্বিনেশন শিশুদের জন্য খুব ক্ষতিকর। তাই সতর্ক থাকুন।

কমলা ও দুধ : দুধের সঙ্গে কমলার জুস মিশিয়ে পান করা ক্ষতিকর। এতে হজমের সমস্যা সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কমলায় থাকা অ্যাসিড দুধের এনজাইম নষ্ট করে দেয়, যা হজমের জন্য জরুরি।

পেয়ারা ও কলা : একসঙ্গে পেয়ারা ও কলা খেলে অ্যাসিড হওয়া, বমি ভাব হওয়া, পেটে গ্যাস হওয়া ও স্থায়ী মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।

সবজি ও ফল : একসঙ্গে ফল ও সবজি মিশিয়ে খাওয়া কখনো উচিত না। কারণ ফলে সুগারের উপাদান থাকে যা হজম হতে সময় নেয়। তাই ফল ও সবজির মিশ্রণ শরীরে টক্সিন তৈরি করতে পারে। এতে আপনার ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, পেটে ইনফেকশন ও পাকস্থলীতে ব্যথা হতে পারে।

আনারস ও দুধ : এই কম্বিনেশনটা খুব ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ আনারসে থাকা ব্রোমেলেইন দুধের সঙ্গে মিশে বিষাক্ত হয়ে উঠে। এর ফলে পেটে গ্যাস, বমি ভাব, পেটে  ইনফেকশন, মাথাব্যথা ও পাকস্থলীতে ব্যথার মতো অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কলা ও পুডিং : একসঙ্গে কলা ও পুডিং খাওয়া ঠিক না। কারণ তা হজম করা কঠিন হয়ে উঠে আর শরীরে টক্সিন তৈরি করে। এই কম্বিনেশন শিশুদের জন্য খুব ক্ষতিকর।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩১ মার্চ ২০১৮/ফিরোজ

monkey kidnap kids

১৬ দিনের শিশুকে নিয়ে উধাও বানর

সাইফুল আহমেদ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৪-০১ ১০:৪৩:৫৬ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৪-০১ ১০:৪৭:১৮ এএম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাসায় ঘুমিয়ে থাকা ১৬ দিনের নবজাতককে নিয়ে পালিয়েছে এক বানর। ভারতের ওডিশার কাটাকের বানকি ব্লকের তালাবাস্তা গ্রামে শনিবার এই ঘটনা ঘটে।

শিশুটিকে উদ্ধারে ওই এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালিয়েছেন বন বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। তবে বানরটি শিশুকে নিয়ে কোথায় গেছে তার হদিস এখনো পাওয়া যায়নি।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পিতা রাম কৃষ্ণ নায়ক ওই শিশুটিকে নিয়ে তার বাসার বারান্দায় ঘুমাচ্ছিলেন। সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ করে একটি বানর বাসায় প্রবেশ করে শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়। রামের স্ত্রী তখন কাছেই গৃহস্থালির কাজ করছিলেন। তিনি বানরটিকে দেখেন শিশুটিকে কোলে নিতে এবং বাধা দেওয়ার আগেই বানরটি শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর তার চিৎকার-চেঁচামেচিতে বাসার অন্য সদস্য ও গ্রামবাসী ছুটে আসেন এবং বানরটির পিছু নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া বন বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘শিশুটির জন্মগতভাবে কান্নার সমস্যা রয়েছে। সে কান্না করতে পারে না। তাই আমরা তার শব্দ শুনতে পাচ্ছি না। তাই তাকে খুঁজে বের করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দমাপদ ফরেস্ট রেঞ্জের রেঞ্জার সংগ্রাম কেশরি মোহন্তির নেতৃত্বে তিনটি দলে ৩০ জন বন কর্মকর্তা শিশুটির খোঁজ করছে। তাদের সঙ্গে রয়েছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ও গ্রামবাসী।’

উল্লেখ্য, ওই এলাকায় কয়েকদিন আগে বানরের হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হন। বানরের উৎপাত নিয়ে অভিযোগ করা হলেও এ নিয়ে বন বিভাগের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ এপ্রিল ২০১৮/সাইফুল

world war Ship rise up after 75 years

৭৫ বছর পর ভাসল বিশ্বযুদ্ধে ডুবে যাওয়া জাহাজ

সাইফুল আহমেদ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৪-০১ ৯:১২:৩৪ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৪-০১ ৯:৩৬:৩৯ এএম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ৭৫ বছর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন জাপানের বিমান হামলায় বোমার আঘাতে ডুবে যাওয়া একটি ব্রিটিশ যাত্রীবাহী জাহাজ উদ্ধার করেছে শ্রী লঙ্কার নৌবাহিনী।

১৯৪২ সালে ডুবে যাওয়ার সময় দ্য এসএস সাগাইং নামের ওই জাহাজের যাত্রী ও পণ্যের বেশির ভাগই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। শনিবার শ্রী লঙ্কার উপকূল থেকে দেশটির নৌবাহিনীর ডুবুরিরা সেটি ভাসিয়ে তুলতে সক্ষম হন।

ত্রিনকোমালি পোতাশ্রয়ে পানির ৩৫ ফুট (১০.৭ মিটার) গভীরে জাহাজটি ডুবে ছিল।
 

শ্রী লঙ্কার পূর্বাঞ্চলীয় নৌ কমান্ড ইউনিট এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে এবং এটি সম্পন্ন করতে তাদের কয়েক মাস লেগে যায়।

শ্রী লঙ্কার নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ৪৫২ ফুট দীর্ঘ জাহাজটি উদ্ধারের আগে এর অবকাঠামো সুসংহতের কাজ করা হয়, যেটি ২০১৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল। ডুবুরিরা সাগরের তলে জাহাজটি পানিশূন্য করার জন্য এর চারদিকে একটি কৃত্রিম ঘের তৈরি করে।

তথ্যসূত্র : বিবিসি



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ এপ্রিল ২০১৮/সাইফুল

Rain and ice fall info

বিভিন্ন এলাকায় ঝড়-শিলাবৃষ্টি, ব্যাপক ক্ষতি

জাহাঙ্গীর আলম বকুল : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-৩১ ১০:০৪:২৬ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-৩১ ১:১৫:৫৭ পিএম
ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কয়েক এলাকায় এত শিলা পড়েছে, যাতে ঘরের টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে। আমের কুঁড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ সময় ঝড়ো বাতাসে বহু গাছপালা উপড়ে গেছে।

ঝড় এবং শিলাবৃষ্টিতে কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার সকালে লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী; দুপুরে দিনাজপুর, বিকেলে ঢাকা, পাবনা, গাইবান্ধা, সিলেট এবং সন্ধ্যায় ঢাকা, যশোর ও মাগুরায় ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ শনিবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। হালকা বৃষ্টিতে অস্বস্তিকর গরমের রেশ কাটলেও কয়েক দিন পর ফের তাপমাত্রা বাড়বে।

সিলেটে ঝড়ের মধ্যে টিনের চালের আঘাতে এক পথচারী নিহত হয়েছে। শিলার আঘাতে মাগুরার একজনের এবং দিনাজপুরে একজনের নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
 
যশোরের অভয়নগরে ঝড়ে ছিঁড়েপড়া বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে এক কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অপর এক কলেজ ছাত্রী।

উত্তরের জেলায় ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে শতাধিক ব্যক্তি আহত হওয়া ছাড়াও কোনো কোনো এলাকায় শিলার আঘাতে ঘরের টিনের চালা ফুটো হয়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে ফসলের ক্ষেত, ঝড়ে ভেঙে গেছে ঘরবাড়ি-গাছপালা।

মাগুরা : শিলার আঘাতে মাগুরায় সদর উপজেলার বেরইল পলিতা ইউনিয়নের ডহরসিংড়া গ্রামের বদন মোল্লার ছেলে আকরাম হোসেন (৪৫) নিহত হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন বলেছেন, এমন শিলাবৃষ্টি তারা কখনো দেখেননি। শিলা পড়ে পথঘাট, মাঠ সাদা হয়ে যায়। শিলাবৃষ্টি ১০ থেকে ১৫ মিনিট স্থায়ী হয়। কোথাও কোথাও ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়েছে, ঘরের চাল উড়ে গেছে। এতে আম, লিচু, বোরো ধান এবং গ্রীষ্মকালীন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
 

দিনাজপুর : দিনাজপুরের পার্বতীপুরে শিলাবৃষ্টিতে কৃষক সৈয়দ আলী (৫৫) নিহত হয়েছে। শিলার আঘাতে অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন। তাদের কয়েকজন উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

শিলার আঘাতে বাড়িঘরসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বোরো ধানের ক্ষতি না হলেও সবজি খেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

লালমনিরহাট: লালমনিরহাটে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ৩৩৭ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অফিস জানিয়েছে। পাঁচ শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত এবং ছোট ও মাঝারি প্রায় এক হাজার গাছপালা ভেঙে গেছে। জেলা কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন ছিল।

নীলফামারী : নীলফামারীর ডোমার ও ডিমলা উপজেলার দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে কয়েক হাজার টিনের ঘর ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
 

সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত আধা ঘণ্টার ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে আম, লিচু, মরিচ, তামাক, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শিলার আঘাতে আহত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। 

ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ঠাটারীপাড়া এলাকার প্রত্যক্ষদর্শী রবিউল আলম ও আবু আহমেদ জানান, শিলাবৃষ্টিতে তাদের এলাকার অধিকাংশ ঘরের টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে। শিলার আঘাতে ১০-১৫ জন আহত হয়েছে।

আহত ষাটোর্ধ্ব সাইফুন নাহার বলেন, তার জীবনে এত শিলাবৃষ্টি দেখেননি।

কেতকীবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুদ্দৌলা চৌধুরী জানান, শিলাবৃষ্টির কবলে তাদের বিদ্যালয়ের টিনের চালা ফুটো হয়ে ক্লাসের ভিতরে পানি প্রবেশ করে। নিরূপায় হয়ে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।
 

ভোগাডাবুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান একরামুল হক জানান, শিলার আঘাতে তার ইউনিয়নে কমপক্ষে পাঁচ হাজার টিনের ঘরের চাল ফুটো হয়ে গেছে। কেতকীবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক দিপু বলেন, তার ইউনিয়নের কমপক্ষে আড়াই হাজার ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

যশোর : যশোরের অভয়নগর উপজেলায় ঝড়ে ছিঁড়ে পড়া বৈদ্যুতিক তারে স্পৃষ্ট হয়ে কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো তিনজন। আহত তিনজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি আতাউর রহমান জানান, শুক্রবার রাতে ঝড় বয়ে যায়। এ সময় মহাসড়কের পাশে বৈদ্যুতিক তারের ওপর গাছের ডাল ভেঙে পড়লে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ঝড়ো হাওয়া থামলে ফের বিদ্যুৎ সরবরাহ হওয়ামাত্র তারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গাছের ডাল বিদ্যুতায়িত হয়। ভেঙে পড়া ওই ডালের স্পর্শে লাইজু (১৯) মারা যায়।

অভয়নগর থানার এএসআই শামসুজ্জামান জানান, লাইজু ছাড়াও একই স্থানে ফাতেমা বেগম (৪৫), ঐশী (১৯) এবং লাবিবা (১২) বিদ্যুতায়িত হয়। লাইজুকে বাঁচাতে গিয়ে ফাতেমা বেগম আহত হয়।

নিহত লাইজু স্থানীয় প্রেমবাগ গ্রামের মুস্তাহার আলীর মেয়ে। তিনি স্থানীয় কলেজে একাদশ শ্রেণীতে পড়তেন। ফাতেমা বেগম নওয়াপাড়ার নিজামউদ্দিনের স্ত্রী। ঐশী প্রেমবাগ গ্রামের ফরহাদ হোসেনের এবং লাবিবা একই গ্রামের শামসুর রহমানের মেয়ে।

পাবনা : পাবনার চাটমোহর ও ঈশ্বরদী উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় আর শিলাবৃষ্টিতে ঘর-বাড়ি, গাছ, ফসল লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। শিলার আঘাতে এক গৃহবধূ নিহত ও নারী-শিশুসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

বিকেলে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি বয়ে যায় চাটমোহর পৌর সদর, উপজেলার মথুরাপুর, হরিপুর, বিলচলন, পার্শ্বডাঙ্গা, হান্ডিয়াল, নিমাইচড়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের উপর দিয়ে। ৩০ মিনিটব্যাপী ঝড়ো হাওয়ার তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়ে মানুষ। ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হয়।

সন্ধ্যায় শিলাবৃষ্টি হয় ঈশ্বরদী উপজেলায়। শিলাবৃষ্টির সময় লিচু গাছের নিচে ডাল, পাতা কুড়ানোর সময় মাথায় শিলার আঘাতে গৃহবধূ জমেলা খাতুন (৫০) মারা যায়। তিনি উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা গ্রামের দেলবার প্রামাণিকের স্ত্রী।

লিচু প্রধান এলাকা হিসেবে পরিচিতি এই উপজেলায় লিচুর গুটির ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে আশঙ্কা করছেন চাষীরা।

চাটমোহর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আবু বকর সিদ্দিক জানান, বড় বড় শিলার আঘাতে বেশিরভাগ টিনের ঘরের চাল ঝাঝরা হয়ে গেছে। বহু যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

একই গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি জনাব আলী ও রিয়াজ উদ্দিন মোল্লা জানান, তাদের জীবনে এত বড় শিলা কখনো দেখেননি। এক একটা শিলার ওজন ৩০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে মানুষের অনেক ক্ষতি হয়েছে।

চাটমোহরে শিলার আঘাতে আহত হয়ে নারী-শিশুসহ অর্ধশতাধিক মানুষ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে। ঝড় আর শিলাবৃষ্টিতে কৃষকের ফল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জমি থেকে তোলা রসুন অনেকে বাড়িতে নিতে পারেননি। বৃষ্টিতে তা ভিজে গেছে।
 

চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের কৃষক আক্কাস আলী, কাতুলী গ্রামের সাইদুল ইসলাম জানান, রসুন তুলে জমিতে রেখেছিলাম বাড়িতে নেওয়ার জন্য। কিন্তু সেই সময়টুকু পেলাম না। দুই বিঘা জমির রসুন শেষ হয়ে গেছে।

কৃষক চাঁদ আলী জানান, গম-ভুট্টার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শিলাবৃষ্টিতে গম গাছ  মাটিতে পড়ে গেছে। ক্ষতবিক্ষত হয়েছে ভুট্টার গাছ। গুটি আম ও লিচুর কুঁড়ির  ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষীরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভূতি ভূষণ সরকার জানান, শিলাবৃষ্টিতে কৃষকের উঠতি ফসলের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন শনিবার দুপুরে চাটমোহর উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করেন।  


রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩১ মার্চ ২০১৮/বকুল

7 diseases in male and female info

যে ৭ রোগে পুরুষের তুলনায় নারীর মৃত্যু বেশি

এস এম গল্প ইকবাল : রাইজিংবিডি ডট কম

  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-২৮ ১০:৪০:৫৫ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-২৮ ১:০৪:০৮ পিএম

প্রতীকী ছবি
এস এম গল্প ইকবাল : কোন রোগ কোন মানুষের ওপর কোন ধরনের প্রভাব ফেলবে তা অনুমান করা কঠিন হলেও গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে, কিছু রোগ পুরুষদের চেয়ে নারীদের বেশি প্রভাবিত করে এবং এসব রোগে নারী মৃত্যুহার পুরুষ মৃত্যুহারের চেয়ে বেশি।

এ কারণে এসব রোগ সম্পর্কে নারীদের সচেতন থাকা প্রয়োজন। কোন রোগ নারীদের জন্য মারাত্মক তা জানা থাকলে নারীরা তাদের স্বাস্থ্যকে রক্ষা করতে সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। ডা. নেসোশি ওকেকে ইগবোকোয়ে বাসল ডটকমকে বলেন, ‘কেন নারীদের কিছু রোগ বেশি হয় তার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে।’ তিনি যোগ করেন, ‘বায়োলজিক্যাল এবং অ্যানাটমিক্যাল উভয় পার্থক্য অবশ্যই একটি ভূমিকা রাখতে পারে।....অ্যানাটমির পার্থক্য এবং এমনকি হরমোনগত পরিবর্তন এক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে।’

এ প্রতিবেদনে নারীদের বেশি হয় এমন সাতটি রোগ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

* হৃদরোগ
গবেষণা অনুসারে, হৃদরোগে পুরুষের চেয়ে নারী বেশি মারা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন অনুসারে, চারজন নারীর মধ্যে একজন হৃদরোগে মারা যায়। মেডিক্যাল ডাক্তার শেরি রস বলেন, ‘নারী ও পুরুষদের ক্ষেত্রে হৃদরোগের ঝুঁকি সমান, কিন্তু এই অননুমেয় রোগে পুরুষের তুলনায় নারীর মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’ তিনি যোগ করেন, ‘নারীদের হার্ট অ্যাটাকের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত উপসর্গসমূহ তেমন স্পষ্ট নয়, যে কারণে তা নির্ণীত নাও হতে পারে। পুরুষদের মতো তাদের উপসর্গ স্পষ্ট নয় বলে ডায়াগনোসিস বিলম্ব হয়, যা হৃদরোগে বেশি নারী মারা যাওয়াতে সাহায্য করে।’ অনেক নারীদের ক্ষেত্রে কোনো উপসর্গ দেখা না দিলেও বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি, শ্বাসকষ্ট অথবা অবসাদ অনুভূত হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

* টাইপ ১ ডায়াবেটিস
দ্য ল্যানসেট, ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ডোক্রিনোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, টাইপ ১ ডায়াবেটিসে পুরুষদের তুলনায় ৩৭ শতাংশ বেশি নারী মারা যায়। এ প্রসঙ্গে নিউ ইয়র্ক সিটির অনলাইন ফার্মেসি ক্যাপসুলের চিফ ফার্মাসিস্ট সোনিয়া প্যাটেল বলেন, ‘গবেষকরা ধারণা করছেন যে পুরুষদের মতো নারীদের বেশি ইনসুলিন গ্রহণ না করা অথবা হরমোনের কারণে নারীদের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অধিক জটিল হওয়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। যদি আপনার ডায়াবেটিসের লক্ষণ বা ডায়াবেটিস থাকে, তাহলে প্রেসক্রিপশন ওষুধ গ্রহণ করুন এবং অসংগত কিছু প্রকাশ পেলে ডাক্তারের কাছে যান।

* অটোইমিউন ডিসঅর্ডার
শরীর নিজেই নিজেকে আক্রমণ করলে অটোইমিউন ডিসঅর্ডার হয়ে থাকে, যেমন- লুপাস, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস ইত্যাদি। সোনিয়া প্যাটেল বলেন, ‘অটোইমিউন ডিসঅর্ডারে আক্রান্তদের ৭৮ শতাংশই নারী।’ তিনি যোগ করেন, ‘গবেষকরা ধারণা করেন যে, এর সঙ্গে হরমোনের অস্বাভাবিক হ্রাস-বৃদ্ধি এবং নারীদের মধ্যে পুরুষদের তুলনায় অধিক সক্রিয় ইমিউন প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক রয়েছে।’ যদি অটোইমিউন ডিসঅর্ডার ডায়াগনোসিস হয়, তাহলে ডাক্তার দ্বারা উপসর্গ মনিটর করুন এবং চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

* স্ট্রোক
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এটাও পাওয়া যায় যে, নারীদের পুরুষদের তুলনায় বেশি স্ট্রোক হয়। প্যাটেল বলেন, ‘পুরুষদের চেয়ে নারীরা বেশি স্ট্রোকের শিকার হয় এবং নারী স্ট্রোক ভিকটিমদের মধ্যে মৃত্যহার ৬০ শতাংশ, যা পুরুষদের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ।’ এরকম হওয়ার কারণগুলোর সঙ্গে সাধারণ হৃদরোগের কারণগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে, যেমন- দীর্ঘ জীবন, কম মনোযোগী চিকিৎসা এবং হরমোন। নারীদের মধ্যে মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ হচ্ছে স্ট্রোক, তাই এর লক্ষণ সম্পর্কে অবগত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। দুর্বলতা, মোটর ফাংশন বা গতিদায়ক কাজে সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ অথবা মাথাব্যথা থাকলে কালবিলম্ব না করে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।

* অ্যালকোহলের অপব্যবহার
নারীদের চেয়ে পুরুষেরা অ্যালকোহলের অপব্যবহার বেশি করলেও পুরুষদের তুলনায় নারীদের মারাত্মক সমস্যা বেশি হয়। ডাক্তার রস বলেন, ‘অ্যালকোহলের অপব্যবহারে নারীদের স্তন ক্যানসার, মস্তিষ্কের রোগ, যকৃতের রোগ এবং হৃদপিণ্ডের রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। অ্যালকোহলের অপব্যবহারে প্রণোদিত এসব দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় পুরুষদের চেয়ে নারীদের মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি।’ যদি আপনি অ্যালকোহলের অপব্যবহারে জড়িত থাকেন, তাহলে এর থেকে পরিত্রাণের পথ অনুসন্ধান করুন।

* অ্যালজেইমার'স রোগ
স্মৃতিভ্রংশ জনিত রোগ অ্যালজেইমার'স সাধারণত বৃদ্ধদের মধ্যে দেখা দেয় এবং গবেষকরা সাজেস্ট করছেন যে, এ রোগে পুরুষদের তুলনায় নারীদের মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি। ফার্মাসিস্ট প্যাটেল বলেন, ‘অ্যালজেইমার'স নিয়ে অনেক গবেষণা চলমান থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে যে, একটি শক্তিশালী কারণে নারীরা অ্যালজেইমার'স রোগে পুরুষদের চেয়ে বেশি ভুগে এবং কারণটি হচ্ছে ইস্ট্রোজেন যা নারীদের ব্রেইনকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, যেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন মেকানিজম কাজটি করে থাকে।’ তিনি যোগ করেন, ‘যখন মেনোপজের সময় ইস্ট্রোজেন কমে যায়, তখন নারীদের ব্রেইন অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অ্যালজেইমার'স বিকশিত হতে পারে।’

* ফুসফুসের রোগ
নারীরা ফুসফুস রোগের উচ্চ ঝুঁকিতেও থাকতে পারে, যেমন- ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ বা (সিওপিডি), অ্যাজমা অথবা পালমোনারি ফাইব্রোসিস। ইমার্জেন্সি মেডিসিন এবং পিডিয়াট্রিক ইমার্জেন্সি মেডিসিনের চিকিৎসক আইরিন টিয়েন বাসল ডটকমকে বলেন, ‘নারীদের মধ্যে ফুসফুসের রোগ বিকশিত হওয়ার সম্ভাবনা অধিক এবং এসব রোগে নারী মৃত্যুহারও বেশি।’ এমনটা হওয়ার কারণ এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

তথ্যসূত্র : বাস্টল



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৮ মার্চ ২০১৮/ফিরোজ

hair kit info

উকুন তাড়ানোর ঘরোয়া ১০ উপায়

মাহমুদা মিতুল ইভা : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-২৯ ১১:৫২:৩৫ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-২৯ ১১:৫২:৩৫ এএম
প্রতীকী ছবি
মাহমুদা মিতুল ইভা : উকুন আসলে খুবই বিদঘুটে একটা জিনিস। উকুনের উপদ্রবে যারা অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন তাদের জন্য ঘরের মধ্যেই রয়েছে কিছু কার্যকরী উপাদান যা উকুন তাড়ানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী। কিছু ঘরোয়া এবং প্রাকৃতিক টোটকার মাধ্যমে আপনি সহজেই উকুনের কবল থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

* মেয়নেজ
মাথার উকুন থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরী একটি উপাদান হল মেয়নেজ; যা আমরা বার্গার, বারবিকিউ, স্যান্ডউইচ ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্যের স্বাদ আরো মজাদার করতে ব্যবহার করে থাকি। যেকোনো কনফেকশনারী দোকানে আপনি এটি পাবেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, চুলের ত্বকে ভালোমতো মেয়নেজ মেখে তারপর ক্যাপ দিয়ে ঢেকে সারারাত রেখে দিলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মাথায় থাকা উকুনগুলো মারা যায়। সকালে ভালোমতো চুল চিরুনি করুন। এক্ষেত্রে চুল থেকে উকুনের ডিম বের করার বিশেষ চিরুনি ‘নিট কম্ব’ ব্যবহার করুন। ফলে মৃত উকুন এবং উকুনের ডিম দূর হয়ে যাবে। তারপর কোনো শক্তিশালী ডিটারজেন্ট দিয়ে চুল ভালোমতো ধুয়ে ফেলুন যাতে মেয়নেজের তৈলাক্ত আস্তরণ পরিষ্কার হয়ে যায়। মেয়নেজের তৈলাক্ত আস্তরণ উঠাতে কয়েকবার ধোয়া লাগতে পারে।

* টি ট্রি অয়েল
আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার একজন ত্বক বিশেষজ্ঞ ড্যানিয়েলে ফিশার বলেন, ‘চা পাতার তেল (টি ট্রি অয়েল) উকুন নিরাময়ের অন্যতম ঘরোয়া পদ্ধতি, কারণ এতে শক্তিশালী জীবাণুনাশক উপাদান বিদ্যমান।’ টি ট্রি অয়েল ঠিক মেয়নেজের মতো করে চুলে লাগালে উকুন থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। তবে টি ট্রি অয়েল কতক্ষণ চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে এবং কতদিন পর পর তা প্রয়োগ করতে হবে সেটা নিয়ে মিশ্র পরামর্শ রয়েছে। তবে অনেকের পরামর্শ হচ্ছে, প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার করে টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করে উকুন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

* নারকেল তেল
উকুন থেকে রেহাই পেতে নারকেল তেল হল অন্যতম কার্যকরী একটি ঘরোয়া টোটকা। মেয়নেজ এবং টি ট্রি অয়েল দিয়ে যেভাবে শ্বাসরুদ্ধ করে উকুন মারা হয়, ঠিক একই পদ্ধতি অবলম্বনে নারকেল তেল দিয়ে উকুনের বংশ নিপাত করা সম্ভব। তাছাড়া মেয়নেজ অথবা টি ট্রি অয়েলের তুলনায় নারকেল তেল একটু বেশি ঘন হয়ে থাকে ফলে তা চুলে সহজেই মেখে নেওয়া যায়। নারকেল তেল উকুনদের শুধু শ্বাসরুদ্ধই করে না বরং তাদের একজায়গায় আটকে ফেলে, যাতে তারা লাফ দিয়ে অন্য কারো মাথা বা অন্য কোথাও পালাতে না পারে।

* পেট্রোলিয়াম জেলি
নারকেল তেলে অনেকের অ্যালার্জি থাকে। তাই তাদের জন্য উকুন তাড়ানোর বিকল্প পদ্ধতি হল পেট্রোলিয়াম জেলি। এটি এমন একটি কার্যকরী উপাদান যা আপনার ড্রয়ারে বা এখানে ওখানে হয়তো আছে। পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়েও মেয়োনেজ, নারকেলের তেলের মতো পদ্ধতিতে উকুন তাড়ানো সম্ভব। কিন্তু পেট্রোলিয়াম জেলির একটা সমস্যা হচ্ছে তা পরিষ্কার করা বেশ ঝামেলার কাজ। বেশ কয়েকবার ধোয়ার পরেও তা পরিষ্কার হতে চায় না। তবে, যাদের চুল ছোট তাদের জন্য পেট্রোলিয়াম জেলি একটি ভালো উপাদান হিসেবে কাজে দিতে পারে, কেননা তাদের ক্ষেত্রে পরিষ্কার করার ঝামেলা তুলনামূলকভাবে কম।

* হেয়ার ড্রায়ার
হেয়ার ড্রায়ারের গরম বাতাসের মাধ্যমে নিট (উকুনের ডিম) মেরে ফেলা সম্ভব। অন্যান্য পদ্ধতির সঙ্গে হেয়ার ড্রায়ারের গরম বাতাস অতিরিক্ত ব্যবস্থা হিসেবে রাখলে উকুন থেকে চিরতরে রেহাই পাওয়া সম্ভব। এটা জীবন্ত উকুন হয়তো মারবে না কিন্তু উকুনের ডিমগুলো ধ্বংস করার ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। সুতরাং হেয়ার ড্রায়ার এক্ষেত্রে অস্ত্রের মতো ব্যবহৃত হতে পারে যা দিয়ে উকুনের উপদ্রব দমন করা সম্ভব।

* ভেজা চুলে চিরুনি করা
ভিন নিগুয়েন নামে একজন আমেরিকান ত্বক বিশেষজ্ঞ বলেন, চুল ভেজা থাকা অবস্থায় সামান্য কন্ডিশনার চুলে মাখিয়ে চিরুনি করলে উকুন থেকে বেশ সহজেই রেহাই পাওয়া যায়। ঘরোয়া নানান টোটকাগুলোর মধ্যে এটা বেশ কার্যকরী। সপ্তাহে কমপক্ষে ৩-৪ দিন করে কয়েক সপ্তাহ এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। তাছাড়া অন্যান্য প্রাকৃতিক পদ্ধতির সঙ্গে সহযোগী উপায় হিসেবে এটি ব্যবহার করা সম্ভব।

* উকুনের ডিম খুঁজে বের করা
যদিও এই পদ্ধতিটি বেশ সময়সাপেক্ষ, কিন্তু এই পদ্ধতি অবলম্বনের ফলে কেমিক্যালের ব্যবহার এড়ানো সম্ভব। উকুনের ডিম যা সাধারণত নিট নামে পরিচিত তা সূক্ষ চিরুনি বা আঙুলের সাহায্যে চুলের মধ্য থেকে বের করে ফেললে মাথায় নতুন উকুনের জন্ম হয় না। ফলে উকুনের সংখ্যা কমে যায়। এই পদ্ধতির মাধ্যমে আস্তে আস্তে মাথা থেকে উকুন দূর করা সম্ভব। কিন্তু এই পদ্ধতিটি অন্যান্য পদ্ধতির মতো কার্যকরী নয় কেননা এটি প্রচুর সময়সাপেক্ষ এবং পরিশ্রমসাধ্য। এই পদ্ধতিতে উকুন দূর করতে হলে প্রত্যেকটি উকুন এবং নিট মাথা থেকে খুঁজে বের করতে হবে নতুবা উকুনের উপদ্রব এড়ানো সম্ভব নয়।

* উকুন নিরাময়ে রসুন
উকুনের উপদ্রব দমন করার জন্য রসুনের এই পদ্ধতিটি অনেক প্রাচীন এবং বেশ কার্যকরী। ঘরোয়া উপায়ে রসুনের মাধ্যমে উকুনের চিকিৎসা করতে গেলে রসুনের তীব্র গন্ধ আপনাকে সহ্য করতে হবে। প্রথমে ৮-১০ টা রসুনের কোয়া থেতলে পেস্ট বানিয়ে নিন এবং তাতে কয়েক চা-চামচ লেবুর রস মেশান। তারপর সেই মিশ্রণ আপনার চুলের ত্বকে লাগিয়ে আধা ঘন্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রসুনের তীব্র গন্ধ উকুন এবং উকুনের ডিম ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট। এই চিকিৎসা সপ্তাহে একদিন করে কয়েক মাস চালু রাখলে উকুন থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

* লবণ এবং ভিনেগারের মিশ্রণ
লবণ এবং ভিনেগারের মিশ্রণ উকুন সমস্যার অনেক ভালো সমাধান বলে মনে করা হয়। প্রথমত লবণ উকুনগুলোকে দুর্বল করে ফেলে এবং ভিনেগার নতুন জন্মানো উকুন এবং নিটগুলোকে ধ্বংস করে। যদিও এই পদ্ধতিতে বড় উকুনগুলো মরে না কিন্তু তারা আর চুলের সঙ্গে লেগে থাকতে পারে না। তবে এই পদ্ধতিটি অন্য আরেকটি পদ্ধতির সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

* বাড়িঘর পরিষ্কার রাখা
মাথা থেকে উকুন এবং উকুনের ডিম দূর করলেই যে উকুনসমস্যার সমাধান হয়ে যাবে তা কিন্তু নয়। যে বাড়িতে উকুনের উপদ্রব ছিল বা আছে সেই বাড়ির পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন কেননা উকুনেরা লাফিয়ে লাফিয়ে জামা-কাপড় থেকে শুরু করে বিছানা, আসবাব সমস্ত বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। তাই বাড়িঘর পরিষ্কার না রাখলে উকুনের অত্যাচারে পুনরায় একই অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৯ মার্চ ২০১৮/ফিরোজ

Tuesday, March 27, 2018

alien info

কথিত ‘অ্যালিয়েন’ এর রহস্য উন্মোচন

মনিরুল হক ফিরোজ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-২৭ ২:৩৯:৪৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-২৭ ২:৫৯:২১ পিএম
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : ভীনগ্রহের প্রাণী অর্থাৎ অ্যালিয়েনের অস্তিত্ব নিয়ে গুঞ্জনের শেষ নেই। এ ধরনের একটি বড় গুঞ্জন হচ্ছে, ২০০৩ সালে চিলির আতাকামা মরুভূমিতে পাওয়া ৬ ইঞ্চির একটি মানবসাদৃশ্য কঙ্কাল।

কঙ্কালটিতে মানুষের বৈশিষ্ট্য থাকলেও কিছু অদ্ভুত বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। যেমন মাথার খুলি দেহের অনুপাতে বেশ বড় এবং সূচালো, স্বাভাবিকের তুলনায় চোখের কোটর বড় এবং পাজরের হাড় ১২টির পরিবর্তে মাত্র ১০টি। এসব বৈশিষ্ট্য ইঙ্গিত দেয় যে, এটি অন্য কোনো প্রাণীর কিংবা অ্যালিয়েনের কঙ্কাল। প্রায় দুই দশক ধরে এই কঙ্কালটিকে ভীনগ্রহের প্রাণীর কঙ্কাল হিসেবে অনেকের কাছে পরিচিত। গবেষকরা অদ্ভুত এই কঙ্কালটির নাম দেন ‘অ্যাটা’।

২০১৩ সালে কঙ্কালটি উন্মুক্ত করা হয় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য। স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী ছয় মাস ধরে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষা চালায় অ্যাটার উপর। স্ট্যামফোর্ডের বিজ্ঞানীরা পরীক্ষার পর নিশ্চিত হোন, কঙ্কালটি বানর বা শিম্পাঞ্জির নয় বরঞ্চ মানুষেরই এবং কোনো না কোনো ভাবে তা মমিতে পরিণত হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হয়, এটি অপরিণত গর্ভপাতে নষ্ট হওয়া মানব শিশু বা ফিটাসের কঙ্কাল। কিন্তু কঙ্কালটির এক্স-রে রিপোর্ট অনুযায়ী, সেটি কোনো ফিটাসের কঙ্কাল হতে পারে না। কঙ্কালটির অস্থি এবং অস্থিসন্ধি সম্পূর্ণ ভাবে সুগঠিত এবং পরিপক্ক। গর্ভাবস্থায় একটা মানব শিশুর হাঁটু থাকে তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত। ভূমিষ্ঠ হওয়ার ৬-৭ বছর পর এই তরুণাস্থি শক্ত অস্থিতে পরিণত হয়। এক্স-রে’তে দেখা অ্যাটার হাঠুর গঠন মিলে যায় ৬ বছর বয়সি মানুষের হাঠুর গঠনের সঙ্গে। তার মানে অ্যাটা ফিটাস (গর্ভের শিশু) নয়? ৬ বছর বয়সি কোনো মানুষ? কিন্তু ৬ বছর বয়সি কোনো মানুষের উচ্চতা মাত্র ৬ ইঞ্চি হতে পারে না। তাহলে কি ‘অ্যাটা’ কোনো অ্যালিয়েনেরই কঙ্কাল? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে গবেষণা অব্যবহত ছিল।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, তারা কঙ্কালটির রহস্য অবশেষে উন্মোচন করতে পেরেছেন এবং তা অ্যালিয়েনের পরিবর্তে জেনেটিক্স দিকগুলোই প্রকাশ করেছে।

‘অ্যালিয়েন’ খ্যাত কঙ্কালটির ডিএনএ বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়েছেন স্ট্যানফোর্ড এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। বিশ্লেষণের ফলাফলে দেখা গেছে, ‘অ্যাটা’ নামক কঙ্কালটি একজন মেয়ের এবং সে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কিত।

গবেষকরা অ্যাটা’র জিনোম পুননির্মাণের পর দেখতে পেয়েছেন, সে সম্ভবত ৫০০ বছরের কম সময়ের আগে পৃথিবীতে ছিল এবং কিছুটা ইউরোপীয় বংশধরদের বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি রয়েছে অর্থাৎ দক্ষিণ আমেরিকা উপনিবেশিত হওয়ার পর অস্তিত্ব ছিল। 

জিনোম রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত নতুন এই গবেষণাপত্রে সঞ্চিতা ভট্টাচার্য, গ্যারি নোলাল এবং অতুল বাটের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, অ্যাটার হাড় ৬ বছর বয়সি মানুষের মতো গড়ে ওঠে, যদিও সে ফিটাস ছিল।

অ্যাটা’র ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন যে, সে জন্মগত জেনেটিক মিউটেশন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছিল কিন্তু বিজ্ঞানীরা নির্দিষ্ট রোগটি শণাক্ত করতে পারেননি। বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, অ্যাটা সম্ভবত মৃত হিসেবেই জন্মগ্রহণ করেছিল কিন্তু তার হাড় শরীরের অন্যান্য অংশে ভালোভাবে গঠন হয়েছিল।

বিজ্ঞানীরা অ্যাটার মধ্যে ৫৪টি মিউটেশন শনাক্ত করেছেন, যা তার কঙ্কালটিকে অদ্ভুত গঠনে পরিণত করতে প্রভাবিত করতে পারে। এই মিউটেশনগুলো হাড়ের রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে যেমন স্কেলেটাল ডিসপ্লেসিয়া, রিব অ্যানোমেলিস এবং ডোয়ারফিজম।

নিউ ইয়র্ক টাইমসকে সঞ্চিতা ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমি খুবই অবাক হয়েছি যে, জেনেটিক ব্লুপ্রিন্ট থেকে কতকিছুই না বলা যেতে পারে।’

তবে অ্যাটা’র এই শারীরিক বিকৃতির কারণ খুঁজে বের করার জন্য আরো গবেষণার প্রয়োজন হবে।

তথ্যসূত্র : বিজনেস ইনসাইডার



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৭ মার্চ ২০১৮/ফিরোজ