নতুন এক প্রতিভাবান তরুণের সন্ধান
![]() |
ক্রীড়া প্রতিবেদক : ওয়ালটন গ্রুপ সর্বদাই ট্যালেন্টদের প্রমোট করার চেষ্টা করে। বল মাথায় নিয়ে নানা কসরত দেখানো আবদুল হালিমকে চৌকষ কমিটির তত্ত্বাবধানে ওয়ালটন গ্রুপ পৃষ্ঠপোষকতা করে তিন-তিনটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়িয়েছে। আবদুল হালিমের মতো আরো একজন মাসুদ রানা। তারও তিনটি রেকর্ডের আবেদন ইতিমধ্যে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেগুলো প্রক্রিয়াধীন।
এই সময় আরো একজন প্রতিভাবান তরুণকে খুঁজে পেয়েছে ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। নতুন এই প্রতিভাবান তরুণের নাম মাহমুদুল হাসান ফয়সাল। তার গ্রামের বাড়ি মাগুরার হাজীপুরে। তার মাধ্যমে একটি রেকর্ড ভাঙার জন্য গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। সম্প্রতি গিনেস বুকের পক্ষ থেকে সেই রেকর্ড ভাঙার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই তার মাধ্যমে জার্মানির ডেভিড রাউ এর করা রেকর্ডটি ভেঙে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হবে।

বেশ কয়েকটি রেকর্ড গড়তে ও ভাঙতে প্রস্তুত মাহমুদুল হাসান ফয়সাল বলেন, ‘২০১৪ সাল থেকে আমি এই প্রচেষ্টা শুরু করি। সেটা শুধু ফুটবল নিয়ে নয়, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। এই রেকর্ড গড়া কিংবা ভাঙার জন্য আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে আমার নানা। তার উৎসাহেই এতদূর আসা। আমার বাবা-মা প্রথম প্রথম সমর্থন দিতেন না। কিন্তু পরবর্তীতে যখন বুঝতে পারলেন যে আমার আগ্রহের বিষয় এটি এবং এটার মাধ্যমে আমি ভালো কিছু করতে পারব, সুনাম অর্জন করতে পারব তখন আর তারা বাঁধা দেয়নি।’
মাহমুদুল হাসানের জন্ম নড়াইলের কালিয়াতে। পৈতৃক নিবাস মাগুরার হাজীপুর। সেখানেই তিনি বেড়ে উঠেছেন। কাটিয়েছেন শৈশব ও কৈশর। বাবা আগে সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত। মাগুরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি পাসের পর মাগুরা পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটে ভর্তি হন তিনি। বর্তমানে চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়ন করছেন। তিনি ফুটবল, বাস্কেটবল দিয়ে বিভিন্ন ধরণের কসরত দেখানোর পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকটি বিষয়ে পারদর্শী। মাহমুদুল হাসান ফয়সাল বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি গিনেস রেকর্ড গড়তে চান, ‘ওয়ালটন গ্রুপ আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। সে জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমি রেকর্ড ভাঙা ও গড়াটাকে প্যাশন হিসেবে নিয়েছি। আমি বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি গিনেস রেকর্ড গড়তে চাই।’

নতুন এই প্রতিভার বিষয়ে ওয়ালটন গ্রুপের অপারেটিভ ডিরেক্টর (গেমস এন্ড স্পোর্টস) এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি আবদুল হালিমের মতো বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে যদি কোনো প্রতিভাবান কেউ থেকে থাকেন- তাহলে তারা আমাদের গেমস এন্ড স্পোর্টস ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। সেই প্রক্রিয়ায় আব্দুল হালিমের পর আমরা মাসুদ রানাকে খুঁজে পেয়েছি। তাকে দিয়ে কয়েকটি রেকর্ড গড়ার প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে মাহমুদুল হাসান ফয়সালকে দিয়েও আমরা চেষ্টা করাচ্ছি। ইতিমধ্যে সে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটি রেকর্ড ভাঙার অনুমতি পেয়েছে। তার করা প্রাথমিক ‘র’ ভিডিও ও গিনেস বুকের পাঠানো ই-মেইল বার্তা দেখে আমাদের ইতিবাচক মনে হয়েছে। শিগগিরই আমরা তাকে দিয়ে একটি রেকর্ড ভাঙানোর চেষ্টা চালাব। ফয়সাল বয়সে খুবই তরুণ। তাকে দিয়ে অনেক রেকর্ড গড়া ও ভেঙে দেওয়া সম্ভব। আব্দুল হালিম, মাসুদ রানা ও মাহমুদুল হাসান ফয়সালদের মতো এমন আরো ট্যালেন্টদের খোঁজে রয়েছি আমরা।’
উল্লেখ্য, গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সৃষ্টিকারী আব্দুল হালিম ২০১১ সালে বল মাথায় রেখে হেঁটে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে রেকর্ড গড়েছিলেন। এরপর বল মাথায় নিয়ে রোলার স্কেটিং জুতা পরে দ্রুততম সময়ে (২৭.৬৬ সেকেন্ড) ১০০ মিটার অতিক্রম করে ২০১৫ সালে নতুন একটি রেকর্ড গড়েন। ২০১৭ সালে বল মাথায় নিয়ে সাইকেল চালিয়ে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করার রেকর্ড গড়েন তিনি (Greatest distance travelled on a bicycle balancing a football on the head)। তিনটি রেকর্ড গড়ার ক্ষেত্রেই তাকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিকস, হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও টেলিকমিউনিকেশন পণ্য প্রস্তুত ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৯ মার্চ ২০১৮/আমিনুল
এই সময় আরো একজন প্রতিভাবান তরুণকে খুঁজে পেয়েছে ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। নতুন এই প্রতিভাবান তরুণের নাম মাহমুদুল হাসান ফয়সাল। তার গ্রামের বাড়ি মাগুরার হাজীপুরে। তার মাধ্যমে একটি রেকর্ড ভাঙার জন্য গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। সম্প্রতি গিনেস বুকের পক্ষ থেকে সেই রেকর্ড ভাঙার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই তার মাধ্যমে জার্মানির ডেভিড রাউ এর করা রেকর্ডটি ভেঙে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হবে।

বেশ কয়েকটি রেকর্ড গড়তে ও ভাঙতে প্রস্তুত মাহমুদুল হাসান ফয়সাল বলেন, ‘২০১৪ সাল থেকে আমি এই প্রচেষ্টা শুরু করি। সেটা শুধু ফুটবল নিয়ে নয়, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। এই রেকর্ড গড়া কিংবা ভাঙার জন্য আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে আমার নানা। তার উৎসাহেই এতদূর আসা। আমার বাবা-মা প্রথম প্রথম সমর্থন দিতেন না। কিন্তু পরবর্তীতে যখন বুঝতে পারলেন যে আমার আগ্রহের বিষয় এটি এবং এটার মাধ্যমে আমি ভালো কিছু করতে পারব, সুনাম অর্জন করতে পারব তখন আর তারা বাঁধা দেয়নি।’
মাহমুদুল হাসানের জন্ম নড়াইলের কালিয়াতে। পৈতৃক নিবাস মাগুরার হাজীপুর। সেখানেই তিনি বেড়ে উঠেছেন। কাটিয়েছেন শৈশব ও কৈশর। বাবা আগে সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত। মাগুরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি পাসের পর মাগুরা পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটে ভর্তি হন তিনি। বর্তমানে চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়ন করছেন। তিনি ফুটবল, বাস্কেটবল দিয়ে বিভিন্ন ধরণের কসরত দেখানোর পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকটি বিষয়ে পারদর্শী। মাহমুদুল হাসান ফয়সাল বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি গিনেস রেকর্ড গড়তে চান, ‘ওয়ালটন গ্রুপ আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। সে জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমি রেকর্ড ভাঙা ও গড়াটাকে প্যাশন হিসেবে নিয়েছি। আমি বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি গিনেস রেকর্ড গড়তে চাই।’

নতুন এই প্রতিভার বিষয়ে ওয়ালটন গ্রুপের অপারেটিভ ডিরেক্টর (গেমস এন্ড স্পোর্টস) এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি আবদুল হালিমের মতো বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে যদি কোনো প্রতিভাবান কেউ থেকে থাকেন- তাহলে তারা আমাদের গেমস এন্ড স্পোর্টস ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। সেই প্রক্রিয়ায় আব্দুল হালিমের পর আমরা মাসুদ রানাকে খুঁজে পেয়েছি। তাকে দিয়ে কয়েকটি রেকর্ড গড়ার প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে মাহমুদুল হাসান ফয়সালকে দিয়েও আমরা চেষ্টা করাচ্ছি। ইতিমধ্যে সে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটি রেকর্ড ভাঙার অনুমতি পেয়েছে। তার করা প্রাথমিক ‘র’ ভিডিও ও গিনেস বুকের পাঠানো ই-মেইল বার্তা দেখে আমাদের ইতিবাচক মনে হয়েছে। শিগগিরই আমরা তাকে দিয়ে একটি রেকর্ড ভাঙানোর চেষ্টা চালাব। ফয়সাল বয়সে খুবই তরুণ। তাকে দিয়ে অনেক রেকর্ড গড়া ও ভেঙে দেওয়া সম্ভব। আব্দুল হালিম, মাসুদ রানা ও মাহমুদুল হাসান ফয়সালদের মতো এমন আরো ট্যালেন্টদের খোঁজে রয়েছি আমরা।’
উল্লেখ্য, গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সৃষ্টিকারী আব্দুল হালিম ২০১১ সালে বল মাথায় রেখে হেঁটে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে রেকর্ড গড়েছিলেন। এরপর বল মাথায় নিয়ে রোলার স্কেটিং জুতা পরে দ্রুততম সময়ে (২৭.৬৬ সেকেন্ড) ১০০ মিটার অতিক্রম করে ২০১৫ সালে নতুন একটি রেকর্ড গড়েন। ২০১৭ সালে বল মাথায় নিয়ে সাইকেল চালিয়ে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করার রেকর্ড গড়েন তিনি (Greatest distance travelled on a bicycle balancing a football on the head)। তিনটি রেকর্ড গড়ার ক্ষেত্রেই তাকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিকস, হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও টেলিকমিউনিকেশন পণ্য প্রস্তুত ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৯ মার্চ ২০১৮/আমিনুল

No comments:
Post a Comment