Saturday, June 20, 2020

Dear Sir/Madam, 

Appreciate for kind info online. as per present situation we need a good guide line to support free food for avoid unrest in community base in dhaka and bangladesh. waiting for kind heart/ donor to start/ support our ngo. we have an excellent proposal with min cost / donation to support big in community base work due to we have own house adult and free from salary cost. only work and service. also have many project for edu, agri, online language course  and school, entrepreneurship dev. professional course. etc. for hotel and resort career for university student in 3/5 star hotel and resort in local and aboard .  pls adivse / support us.  

 regards, 

shaikh sayeed hossain,
 president 
life and live foundation. 
whatsapp 008801819231241 
sshbd777@gmail.com 
    

Monday, June 1, 2020



Kind attn. to : Dear Global Donors,


Appreciate for Global peoples help and support in various sectors.

Life and Live Foundation is established in 2004 by govt license and requested to  all donor to support us to work for human life and live dev. in Bangladesh. we are focusing on food, E library,  and education means skill dev in hotel and resort. 
Library | British Council  Librarian - WikipediaMan Learn Recipe. Improve Cooking Skill. Book Family Recipes ... Yummy cooking Shrimp eggs fish and vegetables recipe cooking skill ...
we are working since 1990 and govt register 2004. now situation in global is difficult we need a good support for food and education (online). so requested  to global donor for kind advise to way we work together.

once again thank you so much for kind cooperation and waiting for kind reply.

best regards,

shaikh sayeed hossain
president

Life and Live Foundation
sshbd777@gmail.com
whatsapp : 008801819231241




Sunday, December 22, 2019

* THM professional Courses 50% Discount as package.* For Hotel and Resort Reservation

Dear sir/ Madam,   

       Greetings!  

Appreciate for your kind cooperation and good corporate relations since long time. 

It is our great pleasure to inform you that A global platform my web site is open for your company / products promotion. we respect and prefer  to global all connected peoples to enjoy the hotel and resorts, travel, etc facilities.into  www.globalecotourismandtrade.com , mou sign is continues process to ensure many locations. so pls prepare a short note for your company / products for upload in web site as free listing if you consider.

***** Job For Hoel and Resort
THM professional Course as special 50% discount as package courses including
*Front Office
*House keeping
*Food and Beverage ( service and production)
* Sales and Marketing
* IT * Hr and Admin
* Accounts etc. for more details pls contact to : 0088 01819 231 241 (Faculty)

For Hotel Room reservation :  As below location you can enjoy a very special rates and ensure quality service from Management level for your guests as per our mou and use ref global eco. 

1  Banani base : valid till Dec 2020 

* Deluxe Single usd@50 net/ night and Deluxe twin Twin @usd60 net/ night, Rd #27, Banani  and 
* H Hotel Gulshan-2 .* Deluxe Single usd@50 net/ night and Deluxe twin Twin @usd60 net/ night,  Pls use my ref for special discount. 


*Uttara base valid till Dec 2020


Deluxe Single usd@40 net/ night and Deluxe twin Twin @usd 50 net/ night, Azampur near Rajuk College/ persona, Uttara. 

Here noted that If you need any 5 star hotel reservation pls advise your budget and details. 


or any Global location (Chittagong, Cox's bazar, Sylhet, Khulna, Rajshahi, Bogra etc. and  Malaysia, Singapore, Bali, Thai, Bhutan, Nepal, India, UAE, KSA , Egypt, Brunei, Europe etc.) pls advise and get support from our mou/data. Sorry for any inconvenience!



Once again thank you so much for your kind attention and waiting for your kind reply/ business cooperation. 










best regards,





Shaikh Sayeed Hossain

Consultant and faculty For Hotel and Resort Management 
Mobile: 01819 231 241(whatsapp), 01919 231 241 
Email: sshbd777@gmail.com, info@globalecotourismandtrade.com   
Life Member - IFRC 

Life member and EC Member of UNAB

Former :

GM, Hotel Washington, Gulshan1,March, 20005-sept, 2016
ED Nordic Hotel, Banani, Oct,2016-Dec 2017
GM. Hotel Sweet Dream 

THM Faculty (part time), from Private and National University.

Friday, May 10, 2019

hsc apply admission info

কলেজে ভর্তির আবেদন শুরু রোববার থেকে

হাসান মাহামুদ : রাইজিংবিডি ডট কম
   
প্রকাশ: ২০১৯-০৫-১১ ৯:০৬:০৮ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৫-১১ ৯:২২:২৩ এএম
সচিবালয় প্রতিবেদক : একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শুরু হচ্ছে আগামীকাল রোবাবার থেকে। অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির আবেদন করা যাবে। 

বরাবরের মতো শিক্ষার্থীরা প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন। শিক্ষার্থীরা তাদের বাবা-মার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে সর্বনিম্ন পাঁচটি ও সর্বোচ্চ দশটি কলেজ পছন্দ দিতে পারবে।

এর আগে গত সপ্তাহে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির নীতিমালা সম্বলিত নোটিশ প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মেধাক্রম ও আসন বিবেচনায় না নিয়ে কলেজ পছন্দ করার কারণে অনেক সময় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের অনেকেই প্রথমবারে পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারেন না। যে কারণে কলেজে আসন সংখ্যা ও শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের উপর ভিত্তি করে আবেদনে ধারাবাহিকভাবে কলেজ পছন্দ দিলে শিক্ষার্থীদের জন্য ভোগান্তি কম হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজের আসন সংখ্যা ও শিক্ষার্থীর মেধাক্রম আবেদন করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া ১২ মে থেকে শুরু হয়ে ২৩ মে (যারা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করবে তাদেরও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে) পর্যন্ত চলবে। পুনঃনিরীক্ষণের পর যাদের ফলাফল পরিবর্তন হবে তারা ৩-৪ জুনের মধ্যে আবেদন করতে পারবে। আবেদন প্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিতদের তালিকা বা ফলাফল ১০ জুন প্রকাশ করা হবে। এসএমএস ও স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ডে তালিকা প্রকাশ করা হবে। ১১-১৮ জুনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের মনোনয়নপ্রাপ্ত কলেজে নিশ্চায়ন করতে হবে। অন্যথায় আবেদন বাতিল হবে।

জানা গেছে, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে ১ জুলাই থেকে। যেসব শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হবে না তারা ১৯-২০ জুনের মধ্যে ফের আবেদন করতে পারবে। কোনো ধরনের ফি দেওয়া ছাড়াই তাদের আবেদনে নতুন কলেজ সংযোজন ও বিয়োজন করতে পারবে। একই সময়ের মধ্যে যারা আবেদন করবে না বা ভর্তির নিশ্চয়তা সম্পন্ন করবে না তারাও আবেদন করতে পারবে।

অনলাইনে যেভাবে আবেদন করতে হবে : অনলাইনে আবেদন করতে হলে  www.xiclassadmission.gov.bd এ ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদনের আগে শিক্ষার্থীকে শুধু টেলিটক/রকেট/শিওরক্যাশ ব্যবহার করে অনলাইনের আবেদন ফি এসএমএস এর মাধ্যমে দিতে হবে। প্রার্থীকে তার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সাল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে টেলিটক/রকেট/শিওরক্যাশ এর মাধ্যমে ১৫০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে টেলিটক সিম থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে CAD স্পেস WEB স্পেস পরীক্ষা পাসের Board এর নামের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস পরীক্ষার রোল স্পেস পরীক্ষা পাসের বর্ষ লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।

ফিরতি এসএমএস এ আবেদনকারীর নাম ও আবেদন ফি বাবদ ১৫০ কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন কোড দেওয়া হবে। ফি দিতে সম্মত থাকলে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে CADYESPINCONTACT NUMBER (বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনঃনিবন্ধিত মোবাইল নম্বর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফি সঠিকভাবে জমা হলে প্রার্থীর মোবাইলে নিশ্চিতকরণের একটি Transaction IDসহ SMS যাবে। টেলিটক/রকেট/শিওরক্যাশ মাধ্যমে নির্ধারিত আবেদন ফি ১৫০ টাকা জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত website- এ www.xiclassadmission.gov.bd Apply Online -এ ক্লিক করতে হবে। এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে হবে।

এরপর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হলে আবেদনকারী একটি ফরম পাবে, সেটি ডাউনলোড করে নিতে হবে। একইভাবে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে প্রার্থীকে। অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৫টি কলেজে আবেদন করলেও ১৫০ টাকা আবার ১০টি কলেজে আবেদন করলেও ১৫০ টাকা চার্জ করবে। এ ছাড়া এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদন শুধু টেলিটক প্রি-পেইড সংযোগ থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে।

আবেদনের জন্য মোবাইল এর মেসেজ অপশনে গিয়ে এভাবে টাইপ করতে হবে- CAD ভর্তিচ্ছু কলেজ/মাদ্রাসার EIIN ভর্তিচ্ছু গ্রুপের নামের প্রথম দুই অক্ষর এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষরএসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সাল এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভর্তিচ্ছু শিফটের নাম ভার্সনকোটার নাম (যদি থাকে)। এরপর মেসেজটি send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১১ মে ২০১৯/হাসান/ইভা

Tuesday, May 7, 2019

Art L Davinchi 500 years

পাঁচশতম প্রয়াণবর্ষে দ্য ভিঞ্চি

তপন চক্রবর্তী : রাইজিংবিডি ডট কম
   
প্রকাশ: ২০১৯-০৫-০৬ ৫:৩৬:২৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৫-০৬ ৫:৩৬:২৭ পিএম
তপন চক্রবর্তী: বিগত ২ মে ১৫ শতকের ইতালিয় তথা ইউরোপিয় রেনেসাঁর অগ্রদূত বহুমুখী প্রতিভাধর প্রাতঃস্মরণীয় লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি’র (১৫ এপ্রিল ১৪৪২- ২ মে ১৫১৯) পাঁচশতম প্রয়াণ দিবস অতিবাহিত হলো। পৃথিবীতে সভ্য সমাজ ও সভ্য মানুষ যতদিন থাকবে ততদিন হোমার, ভার্জিল, দাঁতে, প্লেটো, সক্রেটিস, এরিস্টটল, নিউটন, গ্যালিলিও, ব্রুনো, আর্কেমিডিস, শেক্সপিয়র, রোমা রোলাঁ, টলস্টয়, আইনস্টাইনসহ আরো অনেক মনীষীকে মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। কারণ এঁরা সভ্যতার মাইলফলক। সেইসঙ্গে এঁরা বাতিঘর। মানুষের চলার পথে এঁরা মানুষকে নূতন নূতন দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। এঁদের সকলে বহুমুখী অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের ভাষায় এঁরা ‘সাথে করে এনেছিলেন মৃত্যুহীন প্রাণ’।

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চিকে মানুষ ‘মোনালিসা’, ‘ইসাবেলা’, ‘স্যালভেটর মুন্ডি’সহ বহু অনন্য চিত্রের স্রষ্টা হিসেবেই জানে। পৃথিবীর ব্যাপক জনসাধারণের কাছে তিনি আজো সর্বকালের শ্রেষ্ঠ চিত্রশিল্পী। অথচ তিনি একজন অঙ্কনশিল্পী, ভাস্কর, স্থাপত্যবিদ, বিজ্ঞানী, সঙ্গীতজ্ঞ, অঙ্কশাস্ত্রবিদ, প্রকৌশলী, সাহিত্যিক, শারীরস্থানবিদ, ভূবিজ্ঞানী, জ্যোতির্বিদ, উদ্ভিদবিজ্ঞানী, ঐতিহাসিক ও প্রতিমাশিল্পী। তাঁকে অনেকে পুরাতত্ত্ববিজ্ঞান ও জীবাশ্মবিজ্ঞানের জনক বলেও মনে করেন। তাঁকে প্যারাস্যুট, হেলিকপ্টার ও যুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাঙ্কের উদ্ভাবক বলা হয়। সার্বিকভাবে তাঁকে মানব আদর্শ পুনর্জাগরণের প্রতিনিধিরূপে চিহ্নিত করা যায়। শিল্প ইতিহাসবিদ হেলেন গার্ডনারের মতে, ‘লিওনার্দোর ব্যাপক কর্মযজ্ঞ এবং প্রতি বিষয়ে তাঁর গভীর আগ্রহ ইতিহাসে তাঁর আগে কারো ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। তাঁর মনন ও ব্যক্তিত্ব মনে হয় অতিমানবিক। যদিও মানুষটির জীবন রহস্যাবৃত ও মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে।’
লিওনার্দো ফ্লোরেন্সের ভিঞ্চিতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আদালতের নোটারি পিওরো দ্য ভিঞ্চি ও মাতা কৃষক কন্যা ক্যাটেরিনার সন্তান। সন্তান হওয়ার আগে মা-বাবা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হননি। তিনি ফ্লোরেন্সের চিত্রশিল্পী অ্যানড্রিয়া ডেল ভেরেচ্চিওর স্টুডিওতে পড়াশোনা করেন। তাঁর ছোটবেলার বেশিরভাগ সময় মিলানের রাজপুত্র লুডোভিকোর ফরমাশ খাটায় ব্যয়িত হয়।  রাজপুত্র শিল্পরসিক ছিলেন। পরে তিনি রোমের বোলোগনা ও ভেনিসে কাজ করেন।  ফ্রান্সের ফ্রান্সিস ১-এর পুরস্কার হিসেবে প্রদত্ত ফ্রান্সেরই এক ঘরে তিনি জীবনের শেষ সময় অতিবাহিত করেন।

আলোচনার শুরুতে বলেছি তিনি মুখ্যত চিত্রশিল্পী হিসেবেই বিশ্বখ্যাত। ‘মোনালিসা’ তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ অননুকরণীয় শিল্পকর্ম। এটি পৃথিবীর সর্বাধিক আলোচিত শিল্পকর্ম। তাঁর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় চিত্রকর্ম হলো ‘দ্য লাস্ট সাপার’ ( শিষ্যদের সঙ্গে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়ার আগের রাতে যিশুর নৈশভোজে অংশগ্রহণের দৃশ্য)। যিশু খ্রিষ্টের পুনরুজ্জীবন নিয়ে অঙ্কিত চিত্র ‘স্যালভেটর মুন্ডি’ ২০১৭ সালের ১৫ নভেম্বর নিলামে পৃথিবীর সর্বোচ্চ ৪৫০.৩ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া তিনি পৃথিবীর পরবর্তী প্রজন্মসমূহের জন্য বহু শিল্পকর্ম, স্কেচ ও বিজ্ঞান বিষয়ক চিত্রকর্ম রেখে গেছেন।

লিওনার্দোকে শুধু সর্বকালের শ্রেষ্ঠ শিল্পীরূপে নয়, তাঁকে প্রযুক্তি উদ্ভাবনার শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ হিসেবেও গণ্য করা হয়। বিশ শতকে অরবিল ও উইলবার বা রাইট ব্রাদার্সের আকাশে ওড়ার প্রায় ৫০০ বছর আগে তিনি উড্ডয়ন মেশিনের নকশা তৈরি করেছিলেন। বিশ শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাঙ্কের অনুরূপ যুদ্ধযানের পরিকল্পনাও তিনি করেছিলেন। এর চেয়েও বিস্ময়কর তিনি সৌরশক্তি ব্যবহারেরও যন্ত্র নির্মাণ করেছিলেন। ইউরোপিয় রেনেসাঁকালে ধাতুবিদ্যা ও প্রকৌশলের শৈশব মাত্র। তিনি সেই সময়ে তুলনামূলকভাবে আধুনিক নকশা নির্মাণ করেছিলেন। এ ছাড়া তিনি অনেক ছোটখাট আবশ্যকীয় যন্ত্র উদ্ভাবন করেছিলেন যা ভিঞ্চি মিউজিয়ামে রক্ষিত আছে। তিনি শরীরস্থানবিদ্যা, সিভিল ইঞ্জিনীয়ারিং, ভূবিজ্ঞান, চক্ষুবিদ্যা ও তরল পদার্থের গতিসহ অনেক বিষয়ে অবদান রেখেছেন যা জীবদ্দশায় প্রকাশ করেননি। 
এই মহা জীবন গণ্ডুষে পান করার নয়। লিওনার্দোর জীবন ও কর্ম নিয়ে শত শত গ্রন্থ প্রণীত হয়েছে, হচ্ছে ও হবে। তাঁকে নিয়ে গবেষণা হয়েছে, হচ্ছে ও হবে। তাঁর কর্মকাণ্ড ব্যক্ত করার জন্য যে ধরনের পাণ্ডিত্য ও প্রস্তুতি থাকা বাঞ্ছনীয় এর কোনোটিই আমার নেই। যেহেতু তিনি আমাদের আহ্নিক ও বার্ষিক জীবনে এখনো প্রবলভাবে প্রাসঙ্গিক, সেহেতু আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তাঁকে তুলে ধরা আবশ্যক বিবেচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শনের সুযোগ নিয়েছি। কারণ তিনি মর্ত্যলোকের অমর্ত্য মানব।

লেখক: লেখক, শিক্ষাবিদ ও গবেষক




রাইজিংবিডি/ঢাকা/৬ মে ২০১৯/তারা

Ifter with discipline food and time

রোজাদারদের জন্য স্বাস্থ্য পরামর্শ

এস এম গল্প ইকবাল : রাইজিংবিডি ডট কম
   
প্রকাশ: ২০১৯-০৫-০৭ ১০:৩০:৩৩ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৫-০৭ ১০:৩৮:১৪ এএম
প্রতীকী ছবি
এস এম গল্প ইকবাল : রমজান মাস হলো বান্দার প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। পৃথিবীর কোনো সম্পদের সঙ্গে এ অনুগ্রহের তুলনা চলে না। রমজানের আগমনে প্রকৃত মুমিনের অন্তরে প্রফুল্লতার ধারা বইতে শুরু করে। পবিত্র এ মাসে মুসলিমরা একটা নির্দিষ্ট সময়ের দৈর্ঘ্যের মধ্যে সমস্ত রকম পানাহার ও যৌনক্রিয়াদি থেকে বিরত থাকেন। এটাকে বলা হয় সিয়াম বা রোজা পালন। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি হলো সিয়াম পালন। কিন্তু সিয়াম সাধনার এ মাসে খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম না মানলে অথবা জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন না আনলে অসুস্থ হওয়া কিংবা ইবাদাতে বিঘ্ন ঘটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এ প্রতিবেদনে রমজানের বরকতময় দিনগুলোতে রোজাদারদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো।

* রমজানের একটি প্রচলিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হলো খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা। প্রথমে দুটো খেজুর খেয়ে এক গ্লাস পানি বা শরবত পান করুন। তারপর কুসুম গরম স্যূপ, সালাদ ও ইফতারের প্রধান আইটেমটি খেয়ে নিন। অবশ্য মনে রাখবেন যে পরিমিত ভোজন হলো স্বাস্থ্যের চাবিকাঠি।

* কুসুম গরম স্যূপ দিয়ে ইফতার শুরু করলে দীর্ঘসময় উপবাসে থাকা পাকস্থলি তৃপ্ত হতে পারে, স্যূপের তরলে শরীর পুনরুজ্জীবিত হয় এবং ইফতারের প্রধান আইটেম খাওয়ার জন্য পরিপাকতন্ত্র প্রস্তুত হয়।

* ইফতারের ভারসাম্যপূর্ণ প্রধান ডিশের মধ্যে ভাত, পাস্তা, আলু বা বুরগুলের মতো কার্বোহাইড্রেট উৎস এবং গরুর মাংস, মুরগির মাংস বা মাছের মতো কিছু প্রোটিন উৎস থাকা উচিত। এছাড়া রান্না করা শাকসবজি তো থাকবেই। ভারসাম্যপূর্ণ পরিমিত ভোজনে স্বাস্থ্য ঠিক থাকে।

* পবিত্র রমজান মাসে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে ভুলবেন না। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন।

* অত্যধিক মসলাদার বা লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন এবং বেশি করে তাজা ফল ও শাকসবজি খান।

* কিছু লোক রমজান মাসে অলস হয়ে পড়ে। কিন্তু অতিরিক্ত ক্যালরি পোড়াতে আপনাকে সক্রিয় হতে হবে। প্রতিদিন হাঁটুন, বিশেষ করে ইফতারের পর কিছু সময় হাঁটুন। এ অভ্যাস খাবার হজমে সাহায্য করে।

* কিছু লোক রমজানে অতিভোজন করে থাকে, যা ওজন বাড়াতে পারে। ইফতারের সকল খাবার যেন স্বাস্থ্যকর হয় সে ব্যাপারে খেয়াল রাখুন। ভারী খাবার অথবা ইফতারের প্রধান আইটেম খাওয়ার পূর্বে অল্প মিষ্টান্ন (যেমন- খেজুর) ও হালকা খাবার বা স্যূপের মতো তরল জাতীয় খাবার খান। ইফতারের তালিকায় বেশি করে ফল ও শাকসবজি রাখুন। কৃত্রিম মিষ্টি পানীয় এড়িয়ে চলুন। প্রতিদিন সক্রিয় থাকুন। এসবকিছু আপনাকে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।

* রমজানে সেহরিতে খাবার খাওয়া অত্যাবশ্যক। এ খাবার দিনে প্রাণশক্তি যোগায় এবং রোজাকে সহজ ও সহনীয় করে। নিশ্চিত হোন যে সেহরির খাবার তালিকায় ধীর শোষণের কার্বোহাইড্রেট রয়েছে, যেমন- হোল গ্রেন ব্রেড, ভাত ও হোল গ্রেন সিরিয়াল। ধীর শোষণের কার্বোহাইড্রেট রক্ত শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

* যেহেতু ভালো স্বাস্থ্যের জন্য প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ প্রয়োজন, তাই রমজানে প্রচুর পরিমাণে তাজা ফল ও শাকসবজি খান এবং আপনার স্যূপে বিভিন্ন ধরনের সবজি অন্তর্ভুক্ত করুন।

* নিম্ন রক্ত শর্করা মাত্রার কারণে যেসব লোকের মাথাব্যথা করে অথবা মাথা ঘোরে, তাদের ইফতারে ২-৩টি খেজুর খেয়ে উপবাস ভাঙা উচিত। কারণ খেজুর রক্ত শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি করতে পারে।

* ইফতারে ধীরে ধীরে স্যূপ ও সালাদ খেলে পেট ভরা অনুভূতি হবে, যার ফলে প্রধান ডিশ খাওয়ার সময় অতিভোজনের প্রবণতা রোধ হবে- যা আপনাকে স্বাস্থ্যসম্মত ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

* রমজানে লোভনীয় সুস্বাদু মিষ্টান্ন খাওয়ার প্রবণতা দমন করা কঠিন। অত্যধিক ক্যালরি ভোজন কমাতে ঘরোয়া খাবারে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করুন এবং এখানেও স্বাস্থ্যের কথা ভেবে সংযম বা পরিমিতিবোধের পরিচয় দিতে হবে।


* রমজানের ডিশকে হালকা রাখুন, অর্থাৎ অতিভোজন করবেন না। স্বাস্থ্যকর রান্না পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হোন, যেমন- গ্রিলিং, বয়েলিং, সিমারিং ও টোস্টিং। খাবারকে সুস্বাদু করতে বৈচিত্র্যময় শাকসবজি, খাবারে স্বাদ আনে এমন উদ্ভিদ ও সিজনিং যোগ করুন।

* ইফতারের পর অবিলম্বে মিষ্টি খাবার ভোজনে পাকস্থলির আকার বৃদ্ধি পায় এবং হজম বিলম্বিত হয়। এটি রক্ত শর্করার মাত্রার হ্রাসবৃদ্ধি করে, যা আপনাকে আরো মিষ্টান্ন খাওয়ার জন্য প্ররোচনা যোগাবে। মিষ্টি খাবার খেতে চাইলে ইফতারের ২-৩ ঘন্টা পর পরিমিত পরিমাণে খেতে পারেন।

* খাবারের পরিকল্পনা ও রমজানের রেসিপি এমনভাবে সুসংগঠিত করুন, যা আপনাকে পুরো মাস জুড়ে জীবনীশক্তি প্রদান করতে পারে। খাবার খেয়ে নিজেকে এবং পরিবারকে তৃপ্ত ও পুষ্ট করতে রমজানের খাবার নির্বাচনে সময় দিন এবং খাবারের তালিকায় বৈচিত্র্যতা আনার চেষ্টা করুন।

* ভারসাম্যপূর্ণ পুষ্টির জন্য কেবলমাত্র ইফতারের খাবারের ওপর নির্ভর করবেন না। আপনি ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে অন্যান্য হালকা খাবার খেতে পারেন, যেমন- কম চর্বির দই, হোল-হুইট চিজ স্যান্ডুইচ অথবা কিছু শুষ্ক ফল ও বাদাম। সেহরিতে এক গ্লাস কম চর্বির দুধ, হোল-হুইট ব্রেড ও কিছু ডাল খেতে ভুলবেন না।

(আগামী পর্বে সমাপ্য)




রাইজিংবিডি/ঢাকা/৭ মে ২০১৯/ফিরোজ

Tuesday, April 23, 2019

football records goal less timing

সাত সেকেন্ডেই গোল!

আবু হোসেন পরাগ : রাইজিংবিডি ডট কম
   
প্রকাশ: ২০১৯-০৪-২৪ ১০:৩৪:৫৫ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৪-২৪ ১০:৫১:০৩ এএম
গোলের পর শেন লং
ক্রীড়া ডেস্ক : রেফারি ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজালেন। কিক অফের পর বল গেল ওয়াটফোর্ডের ডিফেন্ডার ক্রেইগ ক্যাথকার্টের কাছে। ক্লিয়ার করতে গিয়েও পারলেন না তিনি, বল লাগল এগিয়ে আসা সাউদাম্পটনের ফরোয়ার্ড শেন লংয়ের গায়ে। তিনি বলটা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে একটু এগিয়ে গিয়ে গোলরক্ষক বেন ফস্টারের মাথার ওপর দিয়ে পাঠালেন জালে। তার নাম উঠে গেল ইতিহাসে।

প্রিমিয়ার লিগে মঙ্গলবার লংয়ের গোলটা এসেছে ম্যাচের মাত্র ৭.৬৯ সেকেন্ডে। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম গোলের রেকর্ড এখন এটিই। লং ভেঙে দিয়েছেন টটেনহামের প্রাক্তন ডিফেন্ডার লেডলি কিংয়ের ১৯ বছরের পুরোনো রেকর্ড। ২০০০ সালের ডিসেম্বরে ব্রাডফোর্ডের বিপক্ষে কিং গোল করেছিলেন ৯.৮২ সেকেন্ডে।

সাউদাম্পটন-ওয়ার্টফোর্ড ম্যাচে গোল হয়েছে মোট দুটি। মজার ব্যাপার, লং যেমন ম্যাচের প্রথম মিনিটে গোল করেছেন, ওয়াটফোর্ডের আন্দ্রে গ্যারি সেটি শোধ করেছেন ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে, মানে ৯০ মিনিটে!



দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়ায় উচ্ছ্বসিত হলেও ম্যাচ জিততে না পারায় তাই হতাশ লং, ‘কোচ আমাদের বলেছিল যত দ্রুত সম্ভব গোল করে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হবে। ১০০ বারের মধ্যে ৯৯ বারই অমন ক্লিয়ারেন্স আপনি ঠেকাতে পারবেন না। তবে আমি পেরেছি। বেন দুর্দান্ত কিপার, তাকেও এভাবে বোকা বানানো কঠিন। তবে তিন পয়েন্ট না পাওয়ায় আমি হতাশ।’

প্রিমিয়ার লিগের দ্রুততম ১০ গোল:
সময়
খেলোয়াড়
ম্যাচ
মৌসুম
০৭.৬৯
শেন লং
সাউদাম্পটন-ওয়াটফোর্ড
২০১৮-১৯
০৯.৮২
লেডলি কিং
টটেনহাম-ব্রাডফোর্ড
২০০০-০১
১০.৫২
অ্যালান শিয়েরার
নিউক্যাসল-ম্যানসিটি
২০০২-০৩
১০.৫৪
ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন
টটেনহাম-ম্যানইউ
২০১৭-১৮
১১.৯০
মার্ক ভিদুকা
লিডস-চার্লটন
২০০০-০১
১২.১৬
ডোইট ইয়র্ক
অ্যাস্টন ভিলা- কভেন্ট্রি
১৯৯৫-৯৬
১২.৯৪
ক্রিস সুটন
ব্ল্যাকবার্ন-এভারটন
১৯৯৪-৯৫
১৩.৪৮
কেভিন নোলান
বোল্টন-ব্ল্যাকবার্ন
২০০৩-০৪
১৩.৫২
জেমস বেটিয়ে
সাউদাম্পটন-চেলসি
২০০৪-০৫
১৩.৬৪
আসমির বেগোভিচ
স্টোক-সাউদাম্পটন
২০১২-১৩



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৪ এপ্রিল ২০১৯/পরাগ