Friday, August 31, 2018

bath way info

গোসলের ভালো ও খারাপ সময়

: রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৬-০৮-০১ ৯:১০:০১ এএম     ||     আপডেট: ২০১৬-০৮-০৬ ১২:২১:৪৩ পিএম
আফরিনা ফেরদৌস : প্রতিদিন আমরা কত ধুলাবালি পার করি। সেজন্য নিজের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার একটা ব্যাপার থেকে যায়। এই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিশেষভাবে সম্পাদন হয় গোসলের মাধ্যমে। 

নিয়মিত গোসল শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্যতা ধরে রাখার জন্যও প্রতিদিন গোসল করা দরকার। মানুষসহ বিশ্বের অনেক প্রাণীই গোসলের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

গোসল তো প্রতিদিনই করছেন কিন্তু জানেন কী গোসলের সঠিক সময় কোনটি? কখন গোসল করা শরীরের জন্য ভালো আর কখন খারাপ। সময়ের ভিত্তিতে গোসলের বেশ কিছু ভালো দিক রয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক।

সকালে গোসলের সুফল

সতেজতা অনুভব: আমরা সাধারণত সকালের গোসলটাকে বেশি প্রাধান্য দেই। ঘুম থেকে উঠে গোসল করলে ঘুম ঘুম ভাব চলে যায়। শরীর ও মনে সতেজতা অনুভব হয়। সারাদিনের কাজের জন্য একটি উদ্যম তৈরি হয়।

রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়: সকালের গোসল শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। অর্থাৎ সকালের গোসলের মাধ্যমে শরীরে রক্ত চলাচলের গতি বাড়ে এবং তাতে কাজ করার শক্তি উৎপন্ন হয়।

মাংসপেশির জড়তা কমায়: হালকা গরম পানি দিয়ে সকালে গোসল করলে মাংসপেশির জড়তা কমে যায়। রাতে অনেকক্ষণ ঘুমানোর পর সকালে উঠে কোনো কিছু করতে গেলে অনেক সময় মাংসপেশির ভেতরে ব্যথা অনুভব হয়। সকালের গোসল দিতে পারে এই মাংসপেশির ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে। তবে কোনো দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার ক্ষেত্রে গোসলের কোনো ভূমিকা নেই।

তৈলাক্ত ত্বকের সমাধান: যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের জন্য সকালটা খুব একটা ভালো হয় না কারণ সকালে মুখে তেল তেলে ভাব সব থেকে বেশি থাকে। তাই সকালের গোসল আপনার মুখের তৈলাক্ত ভাব কমাতে সাহায্য করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য নির্দিষ্ট সাবান বা ফেসওয়াস বা ফেসপ্যাক ব্যবহার করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন।

সন্ধ্যায় গোসলের সুফল

উচ্চ রক্তচাপ কমানো: সন্ধ্যা বেলার গোসল আপনার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। সারাদিনের ক্লান্তি ভরা কাজের পর সন্ধ্যার গোসল আবারো শরীরকে সতেজ করে তোলে। এতে মেজাজ খিটখিটে হওয়া থেকে রোধ হয়।

তাড়াতাড়ি ঘুম: সন্ধ্যার গোসল শরীরে এক ধরনের প্রশান্তি প্রদান করে যার ফলে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে। এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমের জন্যও সন্ধ্যার গোসল বেশ কার্যকর।

ধুলা ময়লা পরিষ্কার: সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে যখন আমরা বাড়ি ফিরি তখন আমাদের শরীর ধুলাবালি ময়লা পরিপূর্ণ থাকে। গোসল সেই সব কিছু থেকে আমাদের রক্ষা করে। এছাড়া বাইরে থেকে ফিরে গোসল করলে মুখে ব্রনের পরিমাণও কমে যায়, কারণ ব্রণ হয় ময়লা থেকে কিন্তু গোসলের মাধ্যমে শরীরের সব ময়লা বের হয়ে যায়।

যে সময়গুলোতে গোসল বর্জন করবেন

খাওয়ার পর 
খাওয়ার পর পরই অর্থাৎ ভরা পেটে গোসল করা ঠিক নয়। এতে খাবার হজমে সমস্যা দেখা দেয়।

বাইরে থেকে ফিরে 
বাইরে থেকে বাসায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে গোসল করা ঠিক নয়। কারণ আপনি তখন ক্লান্ত থাকেন। অতিরিক্ত ক্লান্ত অবস্থায় গোসল করলে শরীর আরো ক্লান্ত লাগে। কিছুক্ষণ বসে বিশ্রাম নিয়ে তারপর গোসল করুন।

রান্নার পর 
রান্না করতে গেলে আমরা ঘেমে নেয়ে একাকার হয়ে যায়। তাই রান্না করার পর পরই গোসল করা ঠিক নয়। অর্থাৎ ঘামানো অবস্থায় গোসল করা ঠিক নয়। এতে শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্য বজায় থাকে না।

ব্যায়ামের পর 
ব্যায়ামের পর শরীর ঘেমে যায়। আর সে কারণে ব্যায়ামের পর পরই গোসল করবেন না। এতে করে শরীর আরো দুর্বল লাগবে।
  

রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ আগস্ট ২০১৬/ফিরোজ

গোসল করার সঠিক নিয়ম

: রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৬-০৮-২৮ ৯:৩৯:২৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৬-০৯-০৩ ১২:৩২:১৯ পিএম
লাইফস্টাইল ডেস্ক : শরীর ও মনে প্রশান্তি এনে দেয় গোসল। কিন্তু অনেকেই গোসল করেন দায়সারাভাবে। পরিষ্কার হওয়া নিয়ে মাথাঘামান না। অথচ গোসল করার ক্ষেত্রে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হতে হবে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জেনে নিন কিছু জরুরি বিষয়।

* গোসলের ক্ষেত্রে হালকা গরম পানি নিন। ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করে আরাম আছে, কিন্তু ঠান্ডা পানি ত্বকের ক্ষতি করে। ত্বক রুক্ষ করে তোলে। ফলে হালকা গরম পানি ভালো। এতে ত্বকেরও ক্ষতি হবে না আবার ক্লান্তিও দূর হবে। যাদের ঘুমের সমস্যা, তাদের সকলেরই হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করা ভালো। কিন্তু মাথা ধোয়ার সময় কিন্তু গরম পানি ব্যবহার করবেন না। ঠান্ডা পানিই ব্যবহার করুন। গরম পানি চুল রুক্ষ করে তোলে।

* ত্বক অনুযায়ী সাবান ব্যবহার করুন। রুক্ষ ত্বকের জন্য গ্লিসারিনভিত্তিক সাবান আর তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মিল্ক সোপ। যাদের সাধারণ ত্বক, তারা যে কোনো সাবানই বেছে নিতে পারেন।

* শরীর থেকে ময়লা দূর করতে স্ক্রাবিং খুব জরুরি। বিশেষ করে তৈলাক্ত ত্বক যাদের, সাবান মাখার সময় স্ক্রাবিং করে নিন লুফার সাহায্যে। এতে ময়লা দূর হয়। রোমকূপ থেকে অতিরিক্তি তেল বেরিয়ে আসে। তৈলাক্ত ত্বক পরিষ্কার করতে স্ক্রাবার কাম বডি ওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন।

* স্ক্রাবিং করে সাবান মাখা হয়ে গেলে ভালো করে শরীর ধুয়ে নিন। এখানেই শেষ নয়। ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখতে তেল মাথা অত্যন্ত জরুরি। ৭০ শতাংশ মানুষ তেল মাখেন না। কিন্তু এটা খুব জরুরি। বিশেষ করে যাদের ত্বক রুক্ষ, তেল মাথা খুব জরুরি। বাজারে অনেক ধরনের বডি অয়েল কিনতে পাওয়া যায়। চন্দন দেওয়া বডি অয়েল বেছে নিন। মাখতে পারে অলিভ অয়েল। তা না হলে বাড়িতে রাখা সরষের তেলও মাখতে পারেন।

* গোসলের সময় পায়ের গোড়ালি পরিষ্কার করাও প্রয়োজন। পায়ের পাতা ও তলার জন্য স্ক্রাবিংয়ের ব্যবস্থা করুন। বাজারে পিউমিক স্টোন কিনতে পাওয়া যায়। তার সঙ্গে ব্রাশও পাওয়া যায়। গোসল শেষে হাতে সামান্য শ্যাম্পু নিয়ে পায়ের গোড়ালি ও তলায় ভালো করে মাখিয়ে নিন। তারপর প্রথমে পিউমিক স্টোন ও ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করুন। দেখবেন পা ফাঁটার সমস্যা দূর হয়েছে নিমেষে।

* শ্যাম্পু করার পরিকল্পনা থাকলে আগে শ্যাম্পু করা সেরে নিতে হবে। এসএলএস যুক্ত (সোডিয়াম লরাল সালফেট) শ্যাম্পু এড়িয়ে চলুন। এর সাহায্যে ক্ষণিকের জন্য চুল চকচকে হলেও চুলের ডগা ফাটিয়ে দেয়, স্বাভাবিক রঙও নষ্ট করে। চুলের ধরন বুঝে বেছে নিতে পারেন হারবাল শ্যাম্পু।

* অনেকে মনে করেন শ্যাম্পু করা মানেই অনেকটা শ্যাম্পু নিয়ে ফেনা তৈরি করে চুলে লাগানো, আর তারপর ধুয়ে ফেলা। এটা কিন্তু সঠিক পদ্ধতি নয়। আগের দিন রাতে তেল মেখে পরদিন শ্যাম্পু করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

* প্রথমে ঠান্ডা পানি চুলে ধুয়ে মাথার তেল বের করে নিতে হবে। তারপর হাতে সামান্য শ্যাম্পু নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করতে হবে। ফেনা হতে শুরু করলে পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। চুলকে জটমুক্ত রাখতে কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত। সামান্য কন্ডিশনার চুলে মাখিয়ে মিনিট দুই অপেক্ষা করুন। খেয়াল রাখবেন, চুলের গোড়ায় যাতে কন্ডিশনার না লেগে যায়। তারপর পানি দিয়ে পুরো চুল ধুয়ে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখুন।

* শরীর পরিষ্কারের তোয়ালে আর মাথা মোছার তোলায়ে আলাদা করাই ভালো।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৮ আগস্ট ২০১৬/ফিরোজ

গোসলে ৭ ভুল

শাহিদুল ইসলাম : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৮-০৮-২৯ ৯:৩০:৫২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৮-২৯ ৯:৩৬:৪৭ পিএম
প্রতীকী ছবি
শাহিদুল ইসলাম : একজন মানুষ তার গোটা জীবনে রুটিন মেনে যে কাজগুলো করে, গোসল তার মধ্যে অন্যতম। গোসল যেহেতু শারীরিক সুস্থতার জন্য, তাই গোসলে ভুল হওয়া মানে উল্টো অসুস্থতার দিকে এগিয়ে যাওয়া।

এ প্রতিবেদনে গোসলের ৭ অভ্যাস তুলে ধরা হলো। গবেষক এবং ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অভ্যাস অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

* শাওয়ার চালু করার সময় শাওয়ারের দিকে মুখ করে থাকা
শাওয়ার ছেড়ে সঙ্গে সঙ্গেই আমরা গোসল শুরু করে থাকি। কিন্তু তৎক্ষণাৎ গোসল শুরু করাটা মোটেও উচিত নয়। কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, শাওয়ারের হেডের ভেতরে (যেখান দিয়ে পানি পড়ে) প্রচুর পরিমাণে মাইক্রোএভিয়াম বা এম এভিয়াম ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। তাই শাওয়ার দিকে মুখ করে শাওয়ার চালু করা উচিত নয়। শাওয়ার চালু করার কিছু সময় পর গোসল শুরু করা উচিত। এতে করে এম এভিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্ত থাকা যাবে। এম এভিয়াম সুস্থ সবল মানুষের জন্য তেমন ক্ষতিকর না হলেও বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী এবং শারীরিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিদের জন্য দুর্বলতা, শুকনো কাশি, শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হওয়া সহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতার কারণ হতে পারে।

* প্লাস্টিকের শাওয়ার হেড ব্যবহার
কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, ধাতব শাওয়ার হেডের চেয়ে প্লাস্টিকের হেড বেশি জীবাণুপ্রবণ। প্লাস্টিকের শাওয়ার হেড ব্যবহার না করে ধাতব হেড ব্যবহার করা উচিত।

* গরম পানি দিয়ে গোসল করা
পিটসবার্গ মেডিকেল সেন্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, ত্বকে লাল দাগ হওয়া, চুলকানি এবং ত্বক ছিলে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে নিয়মিত গরম পানি দিয়ে গোসল করা। এছাড়া অধিক গরম পানি শরীরের আদ্রতা, চর্বি এবং আমিষের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। তবে সপ্তাহে দু একবার কুসুম গরম পানিতে গোসল করতে ত্বক বিশেষজ্ঞগণ পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

* অধিক সময় ধরে গোসল করা
কত সময় ধরে গোসল করার উচিত তার নির্দিষ্ট সীমা যদিও নেই। তবে পিটসবার্গ মেডিকেল সেন্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ দীর্ঘ সময় ধরে গোসল না করার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ এতে ত্বকের স্বাভাবিক আদ্রতা কমে গিয়ে ত্বক কুচকে যেতে পারে।

* প্রতিদিন গোসল করা
আপনি যদি প্রতিদিন গোসল করে থাকেন, তার মানে আপনি তা মাত্রাতিরিক্ত করছেন। জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডার্মাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সি. ব্র্যান্ডন মিচেল বলেন, ‘প্রতিদিন গোসলের ফলে ত্বকের প্রাকৃতিক আদ্রতার পরিমাণ কমে যায় এবং ত্বকে উপকারী ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি হতে পারে না।’ সপ্তাহের ৭ দিনই গোসল করতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই।

* শরীর পরিষ্কারের জন্য স্পঞ্জের ব্যবহার
গোসলের সময় আমরা শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার করার জন্য নানারকম স্পঞ্জ ব্যবহার করি। কিন্তু যে স্পঞ্জ দিয়ে আমরা শরীর পরিষ্কার করি সেটিই আমাদের জন্য ক্ষতিকর জীবাণুর কারণ হতে পারে। স্পঞ্জ সবসময় ভেজা পরিবেশ থাকায় তা ব্যাকটেরিয়ার উপযুক্ত আবাস। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞগণ স্পঞ্জ ব্যবহারের কিছু নিয়ম অবশ্য বাতলে দিয়েছেন-
১. প্রতিবার স্পঞ্জ ব্যবহারের পর তা শুকিয়ে ফেলতে হবে।
২. স্পঞ্জ মুখে এবং স্পর্শকাতর অঙ্গে ব্যবহার না করা। কারণ শরীরের এই অঙ্গগুলোতে সহজে জীবাণু আক্রান্ত হয়।
৩. প্রতি সপ্তাহে স্পঞ্জ একবার জীবাণুমুক্ত করার দ্রবণে ভিজিয়ে নিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। প্রাকৃতিক স্পঞ্জ (ধুন্দল শুকিয়ে যেটি তৈরি করা হয়) হলে তিন সপ্তাহ পর আর প্লাস্টিকের স্পঞ্জ হলে এক মাস পর পাল্টে নতুন স্পঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।

* প্রতিদিন চুল ধোয়া 
ত্বকের মতো চুলেও প্রাকৃতিক উপাদান বিদ্যমান। প্রতিদিন চুল ধোয়ার ফলে চুলে থাকা প্রাকৃতিক তেল কমে যাওয়ায় চুল রুক্ষ হয়ে পড়ে। প্রতিদিন চুল ধোয়া বিশেষ করে ক্ষতিকর হতে পারে- যদি আপনার চুল যদি শুষ্ক প্রকৃতির হয়ে থাকে কিংবা চুলে কালার ব্যবহার করে থাকেন। আপনার চুল যদি তৈলাক্ত প্রকৃতির হয়ে থাকে, তাহলে চুল থেকে অতিরিক্ত তেল শোষণে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

তথ্যসূত্র : ইনসাইডার

পড়ুন : * গোসলের ভালো ও খারাপ সময়

* গোসল করার সঠিক নিয়ম



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৯ আগস্ট ২০১৮/ফিরোজ

No comments:

Post a Comment