Monday, September 17, 2018

Messi 18 years vs 18 records info

১৮ বছরে বার্সায় মেসির ১৮ কীর্তি

শামীম হোসেন পাটোয়ারি : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৮-০৯-১৭ ৯:৩৫:০১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৯-১৭ ৯:৫৬:২৪ পিএম
ক্রীড়া ডেস্ক : নিউওয়েলস ওল্ড বয়েস থেকে ১৮ বছর আগে আজকের দিকে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। আজ (১৭ সেপ্টেম্বর) বার্সেলোনা ক্যারিয়ারের ১৮ বছর পূর্তি হয়েছে তার। গ্রহের অন্যতম সেরা এ তারকা কাতালান ক্লাবটিতে ১৮ বছরের পথচলায় অর্জন করেছেন অনেক কিছুই। তার ১৮ বছর পূর্তিতে চলুন বার্সায় তার ১৮টি স্মরনীয় মূহুর্ত দেখে আসি।

১. বার্সেলোনা ইয়ুথ কার্ড
বার্সেলোনা ইয়ুথ ক্লাবে ২০০১ সালে সুযোগ পান মেসি। ২০০০/০১ মৌসুমের জন্য প্রথমবারের মতো কাতালান ‍জুনিয়র ক্লাবে  খেলার কার্ড পান এ খুদেরাজ।

২. ইতিহাস গড়া দল
১৯৮৭ সালের প্রজন্মের বার্সা তরুণ তারকাদের মধ্যে রয়েছেন পিকে, ফ্যাব্রিগাস ও মেসি। লা ম্যাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে আসা এই তিন ফুটবলার বার্সা ক্যারিয়ারে জয় করেছেন সবকিছুই।



৩. প্রথম অভিষেক

২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর মাত্র ১৬ বছর ১৪৫ দিন বয়সে বার্সার জার্সিতে অভিষেক হয় মেসির। কোচ ফ্রাঙ্ক রাইকার্ডের অধীনে পোর্তোর বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে খেলেন মেসি। এরপর ২০০৪ সালে এস্পানিওলের বিপক্ষে অফিসিয়ালি অভিষেক হয় মেসির।

৪. বার্সায় অফিসিয়াল গোল
বার্সার সব গোলের রেকর্ড ঢেলে সাজানো মেসি নিজের প্রথম গোলের দেখা পান ২০০৫ সালে। আলবাসেতের বিপক্ষে রোনালদিনহোর পাস থেকে গোলটি করেন আর্জেন্টাইন তারকা।

৫. রিয়ালের বিপক্ষে প্রথম হ্যাটট্রিক
বার্সার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকের দেখা পান মেসি। ন্যু ক্যাম্পে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই রিয়ালের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বসেন তিনি।



৬. ম্যারাডোনার সঙ্গে তুলনা

২০০৭ সালের ১৮ এপ্রিল প্রায় একক প্রচেষ্টায় গেটাফের বিপক্ষে গোল করেন মেসি। তার ওই গোল ডিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে তুলনা করা হয়।

৭. সোনালী যুগ
পেপ গার্দিওলার অধীনে ২০০৯ সালে সোনালী যুগের শুরু হয় বার্সার। সেবার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে জয়ের ম্যাচে হেডে চমৎকার এক গোল করেন মেসি। সেবার প্রথম দল হিসেবে এক মৌসুমে ছয়টি শিরোপা জেতে কাতালান ক্লাবটি।

৮. প্রথম ব্যালন ডি’অর
বার্সাকে ট্রেবল শিরোপা জেতাতে গুরু দায়িত্ব পালন করায় ২০০৯ সালে প্রথম মর্যাদার ব্যালন ডি’অর পান মেসি। সেবার রোনালদো ও জাভিকে প্রতিযোগিতায় হারান তিনি। এ পুরস্কার জয়ের দৌড়ে ২০০৭ সালে তৃতীয় ও ২০০৮ সালে দ্বিতীয় হয়েছিলেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার।



৯. ওয়েম্বলিতে উদযাপন

২০১১ সালে পেপ গার্দিওলার অধীনে ম্যানইউর বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে জিতে বার্সা। চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী ওই ম্যাচে গোল পাওয়া মেসির স্মরনীয় একটি মুহূর্ত।

১০. চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫ গোল
২০১২ সালে বেয়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে মেসির ৫ গোল স্মরনীয় একটি ম্যাচ ছিল।

১১. বছরে সর্বোচ্চ গোল
২০১২ সালে সব প্রতিযোগিতায় ৯১ গোল করে জার্ড মুলারের রেকর্ড ভেঙে দেন মেসি।৬৯ ম্যাচে বার্সার হয়ে ৭৯ গোলের সঙ্গে আর্জেন্টিনার হয়ে ১২ গোল করেন তিনি।



১২. তেলমো জারাকে ছাড়িয়ে

২০১৪ সালে সেভিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিকের মধ্য দিয়ে লা লিগার কিংবদন্তি তেলমো জারার সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে যান মেসি। বর্তমানে লা লিগায় মেসির গোল সংখ্যা ৩৮৭!

১৩. পঞ্চম চ্যাম্পিয়নস লিগ
২০১৫ সালে বার্লিনে লুইস সুয়ারেজ ও নেইমারকে সঙ্গে নিয়ে ক্যারিয়ারে চতুর্থ চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জেতেন মেসি। বার্সার যা পঞ্চম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা। লুইস এনরিকের দলটি ম্যানসিটি, পিএসজি ও বায়ার্নের পর ফাইনালে জুভেন্টাসকে হারায়।

১৪. মেসির পঞ্চম ব্যালন ডি’অর
২০১৬ ক্যারিয়ারের পঞ্চম ব্যালন ডি’অর জেতেন মেসি। সেবার  সেরার দৌড়ে তিনি পেছনে ফেলেন রোনালদো ও নেইমারকে হারান।



১৫. ক্রইফকে অনুকরন

২০১৬ সালে কিংবদন্তি ইয়োহান ক্রইফের পেনাল্টি শট অনুকরণ করেন মেসি। পেনাল্টি শট পাস দিয়ে সুয়ারেজের দিকে ঢেলে দেন তিনি। সেটি সফলভাবে জালে বল পাঠান সুয়ারেজ।

১৬. পিএসজির বিপক্ষে স্মরনীয় জয়
চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৪-০ গোলে পিছিয়ে ছিল বার্সা। দ্বিতীয়ার্ধে ৬-১ গোলে জিতে স্মরণীয় জয় পায় কাতালান ক্লাবটি।

১৭. বার্নাব্যুতে মেসির রেকর্ড
২০১৭ মৌসুমের শুরুতে গোল পেতে দেরি হচ্ছিল মেসির। এরপর এল ক্লাসিকো ম্যাচে গোলের দেখা পান তিনি। গোলের পর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে জার্সি খুলে রিয়াল সমর্থকদের নিজের নাম ও জার্সি নম্বর দেখান মেসি।

১৮. বার্সার সবচেয়ে সমৃদ্ধ মেসি
এবার সেভিয়ার বিপক্ষে স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা জয়ের পর ক্লাবটির সবচেয়ে সমৃদ্ধ খেলোয়াড় হন মেসি। ৯টি লিগ শিরোপা, ৬টি কোপা দেল’রে, ৪টি চ্যাম্পিয়ন লিগ, ৩টি ক্লাব বিশ্বকাপ, ৩টি ইউরোপিয়ান কাপ ও ৮টি স্প্যানিশ সুপার কাপ নিয়ে মোট ৩৩ শিরোপায় ন্যু ক্যাম্পের সবচেয়ে সমৃদ্ধ খেলোয়াড় মেসি।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮/শামীম

No comments:

Post a Comment