Monday, November 5, 2018

supper pc with human brain info


মানব মস্তিষ্কের আদলে তৈরি সবচেয়ে বড় সুপার কম্পিউটার

আহমেদ শরীফ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৮-১১-০৫ ৫:৫৮:২৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-১১-০৫ ৭:১২:৫৩ পিএম
আহমেদ শরীফ : বিশ্বের সবচেয়ে বড় সুপার কম্পিউটার, যা মানব মস্তিষ্কের মতো কাজ করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে, সেটি তার কাজ শুরু করেছে প্রথমবারের মতো।

মানব মস্তিষ্ক কিভাবে কাজ করে ও পারকিনসন’স রোগ সহ মস্তিষ্কের বেশ কিছু রোগ নিয়ে গবেষণায় বিজ্ঞানীদের সহায়তা করবে এই সুপার কম্পিউটার। বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই সুপার কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে ২০০ মিলিয়ন কাজ করতে সক্ষম। মানব মস্তিষ্কের মতো কাজ করার লক্ষ্যে এই সুপার কম্পিউটারটি তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ১৯.৫ মিলিয়ন ডলার। এই সুপার কম্পিউটারে সংযুক্ত হয়েছে ১০ লাখ প্রসেসর কোর। সুপার কম্পিউটারটির নাম ‘স্পিন নেকার’।

বিশ্বের অন্য যেকোনো মেশিনের তুলনায় এই সুপার কম্পিউটারটি সবচেয়ে বেশি নিউরন বা মস্তিষ্ক কোষের মডেল তৈরি করতে পারে। মস্তিষ্কে পারকিনসন’স রোগ সহ অন্য সব রোগ কেমন প্রভাব ফেলে, তা জানতে গবেষকদের সহায়তা করবে এই সুপার কম্পিউটার। ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ১০ বছরের বেশি সময় নিয়ে ‘স্পিন নেকার’ নামের এই সুপার কম্পিউটার তৈরি করেন। এর প্রতিটি চিপে ১০০ মিলিয়ন পার্টস আছে, যা মানব মস্তিষ্কের মতো কাজ করার চেষ্টা করছে।

এই সুপার কম্পিউটার তৈরির প্রজেক্ট সায়েন্টিস্ট প্রফেসর স্টিভ ফারবার বলেছেন, গতানুগতিক কম্পিউটারের চেয়ে এই সুপার কম্পিউটার পুরোপুরি আলাদা। কম্পিউটার নয়, বরং অনেকটাই মানব মস্তিষ্কের মতো কাজ করবে এই সুপার কম্পিউটার।

‘স্পিন নেকার’ নামের এই সুপার কম্পিউটার এক পয়েন্ট থেকে আরেক পয়েন্টে তথ্য আদান প্রদান করবে না। বরং মস্তিষ্কের মতো একই সময়ে হাজার হাজার ভিন্ন গন্তব্যে কোটি কোটি তথ্য পৌঁছে দেবে।


তথ্যসূত্র: ডেইলি মেইল

পড়ুন : * সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার
*  সবচেয়ে শক্তিশালী ৮ সুপার কম্পিউটার




রাইজিংবিডি/ঢাকা/৫ নভেম্বর ২০১৮/ফিরোজ

সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার

আহমেদ শরীফ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   Share 
প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১৯ ৬:৩৯:১৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৭-০১ ৭:৪২:৫১ পিএম
আহমেদ শরীফ : সুপার কম্পিউটার তৈরি করা নিয়ে আমেরিকা ও চীনের মধ্যে এক ধরনের লড়াই চলছে কয়েক দশক ধরে। এবার চীনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার তৈরি করেছে আমেরিকা। এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, চিকিৎসা বিজ্ঞান সহ অনেক ক্ষেত্রেই যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে চলেছে।

আমেরিকার টেনেসিতে ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি নামের গবেষণাগারে স্থাপন করা হয়েছে এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার। আইবিএমের তৈরি এই সুপার কম্পিউটারের নাম দেয়া হয়েছে ‘সামিট’।

কম্পিউটার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আইবিএম ৪ হাজার ৬০৮টি কম্পিউটার সার্ভারের সমন্বয়ে তৈরি করেছে সুপার কম্পিউটারটি। দুটি টেনিস কোর্টের সমান বড় এই সুপার কম্পিউটার সেকেন্ডে দুই লাখ ট্রিলিয়ন (২০০ এর পর ১৫টি শূন্য) গণণা করতে পারে। সেকেন্ডে একই সঙ্গে ৩ বিলিয়ন বিলিয়ন ভিন্ন ধরনের গণণার কাজ করে এই সুপার কম্পিউটার। সুপার কম্পিউটারটির গ্রাফিক্স কার্ডে ব্যবহার করা হয়েছে এনভিডিয়ার টেনসর কোর নামের নতুন একটি প্রযুক্তি, যা  আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মেশিন লার্নিং নিয়ে খুব দ্রুত কাজ করতে পারে।

সুপার কম্পিউটারটিতে আছে অনেক সুপারফাস্ট মেমোরি। এই সুপার কম্পিউটারের মাধ্যমে বায়ো এনার্জি, চিকিৎসা বিজ্ঞানেও অনেক গবেষণা চালানো যাবে। পৃথিবীর অভ্যন্তরের বিশদ ম্যাপ তৈরি করতে পারবে এটি।

গবেষণাগারটির মুখপাত্র জানিয়েছেন, ১ সেকেন্ডে সামিট নামের সুপার কম্পিউটারটি যে গণণার কাজ করতে পারে, বিশ্বের সব মানুষ একটি করে সে গণণা করতে গেলে ৩০৫ দিন সময় লাগবে। অথবা যদি একজন মানুষ সামিটের সেসব গণণার কাজ করে, তাহলে তার সময় লাগবে ৬.৩৫ বিলিয়ন বছর।

এর আগে চীনের তৈরি সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার সানওয়ে তাইহুলাইট সেকেন্ডে ৯৩ হাজারটি গণণার কাজ করতে পারে। সেটি আছে চীনের ন্যাশনাল সুপার কম্পিউটিং সেন্টারে।

ভিডিওতে দেখুন সামিট সুপার কম্পিউটার
তথ্যসূত্র : লাইভ সায়েন্স

পড়ুন : ** সবচেয়ে শক্তিশালী ৮ সুপার কম্পিউটার




রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৯ জুন ২০১৮/ফিরোজ

সবচেয়ে শক্তিশালী ৮ সুপার কম্পিউটার

মনিরুল হক ফিরোজ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  Share 
প্রকাশ: ২০১৮-০২-০৪ ৩:২৮:৪২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০২-০৪ ৬:৩০:০০ পিএম
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : আজকের সময়ে কম্পিউটার ব্যাবহারের অভিজ্ঞতা  কয়েক দশক আগের অভিজ্ঞতা থেকে অনেক ভিন্ন। প্রতি বছর কম্পিউটার সিস্টেমের প্রায় দ্বিগুণ অগ্রগতি হচ্ছে। আগে যে ট্রানজিস্টর পেনসিলের রাবারের মতো ছিল তা এখন এতো ছোট হয়েছে যে আঙুলের একটি নখের ওপর কয়েক বিলিয়ন ট্রানজিস্টর ধরে যাবে।

বর্তমান সময়ের একটি ল্যাপটপের় সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (সিপিইউ) প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২১ বিলিয়ন নির্দেশাবলী সম্পাদন করতে পারে। যা কিনা ১৯৭০ এর দশকের সবচেয়ে উন্নত কম্পিউটারের তুলনায় অনেক দ্রুততর।

যেহেতু কম্পিউটিং শক্তি প্রতিনিয়ত অনেক উন্নত হচ্ছে, তাই এর মাধ্যমে জটিল থেকে জটিলতর গণনা করা প্রয়োজন। এখন আরো অনেক বেশি তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং সেসব প্রক্রিয়া করতে প্রয়োজন বিস্ময়কর শক্তির কম্পিউটার। নতুন বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে, যেমন- আবহাওয়ার উন্নত পূর্বাভাস, পারমাণবিক পরীক্ষা সিমুলেশন, আণবিক স্তরে সেল মডেলিং, এমনকি মানুষের মস্তিস্ক সিমুলেশন-এগুলো আরো জটিল হয়ে ওঠছে, যা পূর্বাভাস দিচ্ছে যে, আরো দ্রুততর এবং আরো শক্তিশালী সুপার কম্পিউটারের প্রয়োজনীয়তার।

চলুন জেনে নেওয়া যাক বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ৮টি সুপার কম্পিউটার সম্পর্কে।

৮. ফুজিৎসুর ‘কে’
ফুজিৎসুর ‘কে’ কম্পিউটারটি প্রথম ছিল সুপার কম্পিউটার যা ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে ১০.৫ পেটাফ্লপ গতি নিয়ে তৈরি হয়েছিল। এই কম্পিউটারটি প্রায় ৮০,০০০ সিপিইউ এর সমান কাজ করতে পারে। এটিতে ওয়াটার কুলিং টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে এটি অতিরিক্ত গরম হয় না। ৮৮,১২৮টি অক্টা কোর প্রসেসর (এসপিএআরসি৬৪ ৮এফক্স) বিশিষ্ট এই সুপার কম্পিউটারটি মহাকাশ গবেষণা, জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, ভূমিকম্পের পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা, জ্বালানি শক্তি অনুসন্ধানসহ অনেক কাজে ব্যবহার করা হয়। ফুজিৎসুর কারিগরি সহায়তায় কম্পিউটারটি বসানো হয়েছে গবেষণা সংস্থা রিকেন অ্যাডভান্সড ইনস্টিটিউট ফর কম্পিউটেশনাল সায়েন্সে।

৭. ওকফরেস্ট-পিএসিএস
টোকিও ইউনিভার্সিটি, সুকুবা ইউনিভার্সিটি এবং ফুজিৎসু কোম্পানি মিলিতভাবে এই কম্পিউটারটি তৈরি করে। এটি ২৫ পেটাফ্লপ গতি সম্পন্ন। ইন্টেলের এর লেটেস্ট জেনারেশনের ‘জিওন ফি’ প্রসেসরের ফলে এটি জাপানের সবচেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন সুপার কম্পিউটারে পরিণত হয়েছে। সিস্টেমটি ৮,২০৮ কম্পিউটেশনের নোড এর মাধ্যমে তৈরি। এটি কম্পিউটেশনাল বিজ্ঞান অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর দ্বারা তরুণ গবেষকদের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

৬. কুরি (এনইআরএসসি)
ক্যালিফোর্নিয়ার ন্যাশনাল এনার্জি রিসার্চ সায়েন্টিফিক কম্পিউটিং সেন্টার এই কম্পিউটারটি তৈরি করে এবং আমেরিকার প্রথম নোবেল বিজয়ী নারী ‘গার্টি কুরি’ এর নাম অনুযায়ী এই সুপার কম্পিউটারের নাম দেওয়া হয় কুরি। ক্রে এক্স৬০ সিস্টেমের এই কম্পিউটারটি ২৯.১ পেটাফ্লপ গতি সম্পন্ন। এটিতে ইন্টেলের জিওন এবং জিওন পাই প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে।

৫. সেকোইয়া
এ সুপার কম্পিউটারটি উন্নত অস্ত্র বিজ্ঞানের ফলে পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি গণনার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি ৯৮,৩০৪ নোড সম্পন্ন। এটি পৃথিবীর ৫ম শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার এবং এর গতি ১৭.২ পেটাফ্লপ। ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (আইবিএম) করপোরেশনের তৃতীয় প্রজন্মের ব্লু জিন/কিউ প্রযুক্তিতে তৈরি এই সুপারকম্পিউটার বসানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে।

৪. টাইটান
এটি পশ্চিমা বিশ্বের অন্যতম সেরা সুপার কম্পিউটার। ২০১৩ সালে ‘তিয়ানহে-২’ নামক সুপার কম্পিউটারটি আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার ছিল। এটিই হল এএমডি অপটেরন সিপিইউগুলো এবং এনভিডিয়া টেসলা জিপিইউগুলো সংযুক্ত প্রথম সুপার কম্পিউটার, যা ২৭ পেটাফ্লপ গতিসম্পন্ন। এই ধরনের শক্তিসম্পন্ন কম্পিউটার গবেষকরা জলবায়ু বিজ্ঞান, জ্যোতিঃপদার্থবিদ্যা এবং আণবিক পদার্থবিজ্ঞানে প্রয়োজনীয় জটিল হিসাব নিকাশ সম্পাদন করতে ব্যবহার করেন।

৩. তিয়ানহে-২
কম্পিউটারটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩.৮৬ পেটাফ্লপ (১০০০ ট্রিলিয়নে ১ পেটাফ্লপ) গতিতে গাণিতিক হিসাব করতে সক্ষম। চীনের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব ডিফেন্স টেকনোলজির গবেষকেরা বিশ্বের দ্রুতগতির এ সুপার কম্পিউটারটির নির্মাতা। এটির ‘মিল্কিওয়ে-২’ নামেও পরিচিত। ১৬,০০০ কম্পিউটার নোড বিশিষ্ট কম্পিউটারটি ২০১৩ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার ছিল।

২. পিজ ডেইন্ট 
পিজ ডেইন্ট নামক সুপার কম্পিউটারটি সুইজারল্যান্ডের সুইস কম্পিউটিং সেন্টারে অবস্থিত। এই সুপার কম্পিউটারটি ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। এর পারফরম্যান্স আগের থেকে তিনগুণ বৃদ্ধি করে ২৫.৩ পেটাফ্লপ করা হয়।

১. সানওয়ে তাইহুলাইট
সানওয়ে তাইহুলাইট সুপার কম্পিউটারটি চীনের গুয়াংঝু ন্যাশনাল সুপার কম্পিউটার সেন্টারে অবস্থিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। এটি ১২৫ পেটাফ্লপ গতি সম্পন্ন। এতে আছে এক কোটির বেশি প্রসেসিং কোর এবং ৪০ হাজার ৯৬০টি নোড। কম্পিউটারটি জলবায়ু গবেষণার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে, তাছাড়া আর্থ সিস্টেম মডেলিং এবং তথ্য বিশ্লেষণ এর কাজেও ব্যবহার হচ্ছে।

তথ্যসূত্র : ফিউচারিজম



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/ফিরোজ

No comments:

Post a Comment