এআই জানিয়ে দেবে ভ্রমণকারী মিথ্যা বলছে কিনা
![]() |
মোখলেছুর রহমান : বর্তমান সময়ে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর অত্যাধিক ব্যবহার নিয়ে মানুষের মনে অনেক ভীতিও তৈরি হয়েছে যে, হয়তো আরো অনেক জটিল প্রক্রিয়ায় এর ব্যবহার হবে। আর সেই ভয়কে সম্ভবত আরো একটু বাড়িয়ে দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
সংস্থাটি সম্প্রতি ‘আই বর্ডার কন্ট্রোল’ নামে এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত সিস্টেম স্থাপন করছে, যা ভ্রমণকারীরা মিথ্যা বলছে কিনা তা নির্ণয় করতে পারবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আশা করছে, এর মাধ্যমে ভ্রমণকারীদের তথ্য যাচাইয়ের পুরো প্রক্রিয়াটিই আরো দ্রুততর হবে।
নিউ সায়েন্টিস্ট-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হাঙ্গেরি, গ্রিস ও লাতভিয়ার চারটি বর্ডার ক্রসিং পয়েন্টে এই নতুন সিস্টেমটির ছয় মাসব্যাপী একটি পরীক্ষামূলক ব্যবহার চালাবে ইউ।
এই প্রক্রিয়ায় প্রাক-স্ক্রিনিংয়ের সময়, ব্যবহারকারীদের তাদের পাসপোর্ট, ভিসা এবং তহবিলের প্রমাণ আপলোড করতে হবে। তারপর কম্পিউটার-জেনারেটেড বর্ডার গার্ড ওয়েবক্যামে তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবে। ব্যবহারকারীদের ছোট ছোট এক্সপ্রেশনগুলো বিশ্লেষণ করে সিস্টেমটি তখন জানিয়ে দিবে যে, ভ্রমণকারী মিথ্যা বলছে কিনা এবং সে ঠিক কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
আপনার স্যুটকেসে কী আছে? যদি আপনার স্যুটকেসটি খোলা হয় এবং ভিতরে যা আছে তা দেখা হয় তবে আপনার দেয়া উত্তরগুলো কি সত্য বলেই প্রমাণিত হবে?- ভ্রমণকারীদের মূলত এ ধরনেরই প্রশ্নই করা হবে।
এই প্রশ্ন-উত্তর পরীক্ষায় যারা পাস করবেন, তাদেরকে একটি কিউআর কোড দেয়া হবে যার মাধ্যমে তারা ভ্রমণের অনুমতি পাবে। আর যদি সিস্টেম কারো বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তবে তার বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং পরবর্তী ধাপ হিসেবে মানুষের সহায়তা নেওয়া হবে অর্থাৎ নিরাপত্তা কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অবশ্যই এই ধরনের সিস্টেম কতটা সঠিক তথ্য প্রদান করবে তা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে। ‘আই বর্ডার কন্ট্রোল’ এখনও তার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং গবেষক দলটির এক সদস্য নিউ সায়েন্টিস্টকে জানিয়েছেন যে, প্রাথমিক পরীক্ষামূলক ব্যবহারে এর সাফল্যের হার ছিল ৭৬ শতাংশ।
তথ্যসূত্র : ম্যাশেবল
পড়ুন : মিথ্যা ধরার নতুন যন্ত্র
রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩ নভেম্বর ২০১৮/ফিরোজ
সংস্থাটি সম্প্রতি ‘আই বর্ডার কন্ট্রোল’ নামে এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত সিস্টেম স্থাপন করছে, যা ভ্রমণকারীরা মিথ্যা বলছে কিনা তা নির্ণয় করতে পারবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আশা করছে, এর মাধ্যমে ভ্রমণকারীদের তথ্য যাচাইয়ের পুরো প্রক্রিয়াটিই আরো দ্রুততর হবে।
নিউ সায়েন্টিস্ট-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হাঙ্গেরি, গ্রিস ও লাতভিয়ার চারটি বর্ডার ক্রসিং পয়েন্টে এই নতুন সিস্টেমটির ছয় মাসব্যাপী একটি পরীক্ষামূলক ব্যবহার চালাবে ইউ।
এই প্রক্রিয়ায় প্রাক-স্ক্রিনিংয়ের সময়, ব্যবহারকারীদের তাদের পাসপোর্ট, ভিসা এবং তহবিলের প্রমাণ আপলোড করতে হবে। তারপর কম্পিউটার-জেনারেটেড বর্ডার গার্ড ওয়েবক্যামে তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবে। ব্যবহারকারীদের ছোট ছোট এক্সপ্রেশনগুলো বিশ্লেষণ করে সিস্টেমটি তখন জানিয়ে দিবে যে, ভ্রমণকারী মিথ্যা বলছে কিনা এবং সে ঠিক কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
আপনার স্যুটকেসে কী আছে? যদি আপনার স্যুটকেসটি খোলা হয় এবং ভিতরে যা আছে তা দেখা হয় তবে আপনার দেয়া উত্তরগুলো কি সত্য বলেই প্রমাণিত হবে?- ভ্রমণকারীদের মূলত এ ধরনেরই প্রশ্নই করা হবে।
এই প্রশ্ন-উত্তর পরীক্ষায় যারা পাস করবেন, তাদেরকে একটি কিউআর কোড দেয়া হবে যার মাধ্যমে তারা ভ্রমণের অনুমতি পাবে। আর যদি সিস্টেম কারো বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তবে তার বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং পরবর্তী ধাপ হিসেবে মানুষের সহায়তা নেওয়া হবে অর্থাৎ নিরাপত্তা কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অবশ্যই এই ধরনের সিস্টেম কতটা সঠিক তথ্য প্রদান করবে তা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে। ‘আই বর্ডার কন্ট্রোল’ এখনও তার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং গবেষক দলটির এক সদস্য নিউ সায়েন্টিস্টকে জানিয়েছেন যে, প্রাথমিক পরীক্ষামূলক ব্যবহারে এর সাফল্যের হার ছিল ৭৬ শতাংশ।
তথ্যসূত্র : ম্যাশেবল
পড়ুন : মিথ্যা ধরার নতুন যন্ত্র
রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩ নভেম্বর ২০১৮/ফিরোজ
মিথ্যা ধরার নতুন যন্ত্র
মনিরুল হক ফিরোজ : রাইজিংবিডি ডট কম
প্রকাশ: ২০১৮-১০-২৭ ৪:৪৯:১৬ পিএম || আপডেট: ২০১৮-১০-২৭ ৪:৪৯:১৬ পিএম
![]() |
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : সন্দেহভাজন কেউ সত্য কথা বলছে নাকি মিথ্যা কথা বলছে, তা নির্ণয়ে বেশ পরিচিত পলিগ্রাফ টেস্ট অর্থাৎ লাই ডিটেক্টর টেস্ট। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাই ডিটেক্টর ডিভাইসের সাহায্যে কারো মিথ্যা কথা বলাটা শনাক্তকরণ করে থাকে।
বিজ্ঞানীরা এবার নতুন এমন একটি ডিভাইস তৈরি করেছেন, যা লেখার ওপর ভিত্তি করে মিথ্যা শনাক্ত করতে পারে। অর্থাৎ ঘটনা সম্পর্কে মিথ্যা লিখেছে কিনা, তা বুঝতে পারে ডিভাইসটি। এটি তৈরি করেছেন কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা, যা লিখিত মিথ্যা বিবরণ শনাক্তে ৮০ শতাংশ নির্ভুল।
‘ভেরিপল’ নামক এই ডিভাইসটি পুলিশের কাছে দেওয়া লিখিত ভুয়া বিবৃতি ধরার জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং স্পেনের বিভিন্ন থানায় ইতিমধ্যে এটির ব্যবহার শুরু হয়েছে।
গবেষকরা স্পেনের পুলিশের কাছ থেকে নেওয়া ১ হাজারের বেশি রিপোর্ট ডিভাইসটিতে পরীক্ষা করেছেন। ফলাফল দেখা গেছে, এটি ৮০ শতাংশ সফলতার সঙ্গে সত্য এবং মিথ্যা লিখিত বিবৃতি নির্ণয়ে সক্ষম।
গবেষণার সহ-লেখক ড. জোসে কামাচো-কোলাডোস বলেন, ‘গবেষণায় আমরা দেখেছি যে, অপরাধীরা কীভাবে পুলিশকে মিথ্যা বলে এবং মিথ্য বিবৃতি লিখতে তাদের বাধা দেওয়ার জন্য এ ধরনের ডিভাইস তৈরিতে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি।’
তথ্যসূত্র : মিরর
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৭ অক্টোবর ২০১৮/ফিরোজ
বিজ্ঞানীরা এবার নতুন এমন একটি ডিভাইস তৈরি করেছেন, যা লেখার ওপর ভিত্তি করে মিথ্যা শনাক্ত করতে পারে। অর্থাৎ ঘটনা সম্পর্কে মিথ্যা লিখেছে কিনা, তা বুঝতে পারে ডিভাইসটি। এটি তৈরি করেছেন কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা, যা লিখিত মিথ্যা বিবরণ শনাক্তে ৮০ শতাংশ নির্ভুল।
‘ভেরিপল’ নামক এই ডিভাইসটি পুলিশের কাছে দেওয়া লিখিত ভুয়া বিবৃতি ধরার জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং স্পেনের বিভিন্ন থানায় ইতিমধ্যে এটির ব্যবহার শুরু হয়েছে।
গবেষকরা স্পেনের পুলিশের কাছ থেকে নেওয়া ১ হাজারের বেশি রিপোর্ট ডিভাইসটিতে পরীক্ষা করেছেন। ফলাফল দেখা গেছে, এটি ৮০ শতাংশ সফলতার সঙ্গে সত্য এবং মিথ্যা লিখিত বিবৃতি নির্ণয়ে সক্ষম।
গবেষণার সহ-লেখক ড. জোসে কামাচো-কোলাডোস বলেন, ‘গবেষণায় আমরা দেখেছি যে, অপরাধীরা কীভাবে পুলিশকে মিথ্যা বলে এবং মিথ্য বিবৃতি লিখতে তাদের বাধা দেওয়ার জন্য এ ধরনের ডিভাইস তৈরিতে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি।’
তথ্যসূত্র : মিরর
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৭ অক্টোবর ২০১৮/ফিরোজ


No comments:
Post a Comment